বাংলাদেশ পুলিশ

প্রকাশ: May 7, 2015
Monogram_of_Bangladesh_Police.svg

শান্তি শপথে বলীয়ান বাংলাদেশ পুলিশ আইন শৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা, নির্যাতিত মানুষের পাশে বন্ধুর মতো দাড়ানো এবং অপরাধীকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে থাকে। বাংলাদেশ পুলিশের হেড কোয়ার্টার গুলিস্তানের নগর ভবনের পশ্চিম পাশে অবস্থিত। ঢাকা মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। পুলিশকে সহায়তা এবং বাংলাদেশের মানুষকে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় আবদ্ধ করতে আরও রয়েছে – র‍্যাব, ডিবি, এসবি, সিআইডি, বিট পুলিশ এবং রেলওয়ে পুলিশ। বর্তমানে অনলাইনে জিডি করা যায়। এছাড়া নিপীড়িত জনগণকে তাৎক্ষণিক পুলিশি সেবা প্রদান করার জন্য চালু হয়েছে ওয়ান স্টপ সার্ভিস। পুলিশ বাহিনী আইন শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন, ইমিগ্রেশন এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।
পর্তুগীজ ভাষা হতে পুলিশ শব্দটির উদ্ভব হয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশের মূলনীতি হচ্ছে: শান্তি -শৃঙ্খলা-নিরাপত্তা-প্রগতি। এ পর্যন্ত ১১টি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশ নিযুক্ত হয়েছে।

পুলিশের বিভাগসমূহ
বাংলাদেশ পুলিশের বিশাল কর্মযজ্ঞ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য এর কার্যক্রমকে বিভিন্ন বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। বিভাগগুলো হচ্ছে; সোয়াত, শিল্পাঞ্চল পুলিশ, রেল পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, নৌ-পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, র্যা ব, এসবি , ডিবি এবং সিআইডি।

স্পেশাল ওয়েপনস এন্ড ট্যাকটিস (SWAT)
অনেক সময় সন্ত্রাসী ধরতে গিয়ে কিছু কিছু অভিযান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে যেখানে নিয়মিত অভিযানে অংশ নেয়া পুলিশ সদস্যদের পক্ষে অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব নয়; সেক্ষেত্রে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা, জিম্মি উদ্ধার অভিযানে দক্ষ এবং আধুনিক অস্ত্রসজ্জিত বাহিনীর প্রয়োজন হয়। কারণ কিছু অপরাধী গোষ্ঠী উন্নত অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পুলিশের মোকাবিলা করে। সাজোয়া যান, সাব মেশিনগান, স্নাইপার রাইফেল, নাইট ভিশন গগলস সহ বিভিন্ন অত্যাধুনিক সরঞ্জাম নিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে একটি এলিট ফোর্স গঠন করা হয়ে থাকে।
১৯৬৮ সালে লস এঞ্জেলস পুলিশ প্রথম সোয়াট গঠন করে। ধীরে ধীরে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য এবং কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে সোয়াট গঠন করা হয়।
বাংলাদেশ পুলিশেও ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় সোয়াট গঠন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা প্রশিক্ষকগণ প্রথমে ঢাকায় ৪২ দিনের একটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তারপর তাদের যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিশেষায়িত দলটি গঠন করা হয়।
এই বাহিনীর জন্য উন্নতমানের সাজ-সরঞ্জাম, স্লাইপার রাইফেল ও যানবাহনসহ সহায়ক অন্যান্য সবকিছুতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার সহায়তা দেয়। বিশেষায়িত মামলা তদন্ত, বোমা অপসারণ, জিম্মি উদ্ধার, বোমা বিস্ফোরণ মামলা তদন্ত ইত্যাদিতে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের সোয়াট গঠন করা হয়েছে।

রেলওয়ে পুলিশ
বৃটিশ শাসনামলে রেলওয়ে প্রতিষ্ঠার পর ধীরে ধীর এর বিস্তৃতি ঘটানো হয়। বিস্তৃতির সাথে সাথে চুরি-ডাকাতি সহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি দেখা দেয়। এজন্য প্রথমে আধাসামরিক বাহিনী গঠন করা হয় এবং পরে রেল পুলিশ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
পাকিস্তান সৃষ্টির পর পুরো রেলওয়ে পুলিশকে একটি রেঞ্জের আওতাভুক্ত করা হয়। বাংলাদেশ সৃষ্টির পর রেল পুলিশে মৌলিক কোন পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে রেল সদর দপ্তর চট্টগ্রামে সরিয়ে নেয়া নয়।
বর্তমানে রেল পুলিশের দুটি জোন রয়েছে, চট্টগ্রাম এবং সৈয়দপুর জোন। এ দুটি জোনে দু’জন পুলিশ সুপার পুলিশ প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন। চট্টগ্রাম জোনে আটটি রেলওয়ে থানা, সতেরটি ফাঁড়ি ও চারটি সার্কেল রয়েছে। আর সৈয়দপুর জোনে আটটি থানা, সতেরটি ফাঁড়ি এবং চারটি সার্কেল রয়েছে। একজন ডিআইজির নেতৃত্বে রেল পুলিশ পরিচালিত হচ্ছে।

শিল্পাঞ্চল পুলিশ
বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের শিল্প কারখানার উন্নয়ন এবং বিস্তারের সাথে সাথে শিল্পাঞ্চলে নতুন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। বিভিন্ন ধরনের শ্রমিক অসন্তোষকে পুঁজি করে বিভিন্ন মহল শিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালায়। এর ফলশ্রুতিতে বিভিন্ন রপ্তানীমুখি বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানে ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
এমতাবস্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিশেষ পুলিশ বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এজন্য ঢাকা রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা আশুলিয়াতে ক্ষুদ্র অবয়বে গাজীপুর জেলা পুলিশের নিয়ন্ত্রণাধীনে শিল্পাঞ্চল পুলিশ ২০০৯ – এর জুন থেকে পরিচালিত হতো। ক্রমে দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলসহ সীতাকুন্ডে জাহাজকাটার এলাকাটিও শিল্পাঞ্চলও পুলিশের দায়িত্বভুক্ত এলাকায় এনে শিল্পাঞ্চল-এর জন্য বৃহত্তর ও পারঙ্গম একটি সুশৃঙ্খল পুলিশ সংস্থা গড়ার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ৩১ অক্টোবর ২০১০ তারিখ থেকে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে শিল্পাঞ্চল পুলিশের অগ্রযাত্রা শুরু হয়। এতে একজন মহাপরিচালক ৫ জন পরিচালকসহ ১৮ টি পদে সর্বমোট ১৫৮০ জন নিয়োজিত আছেন।

নৌ পুলিশ
কোম্পানী শাসনামলে ১৭৯৩ প্রথম জল-পুলিশ গঠন করা হয়। বৃটিশ শাসনামলের শেষ পর্যনত বেসামরিক পুলিশী ধাঁচে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশের নিয়ন্ত্রনে জল পুলিশ থেকে যায়। বৃটিশ শাসনের অবসান ঘটলে জল-পুলিশের শাখা ভাসমান থানাগুলো সংশ্লিষ্ট থানার নিয়ন্ত্রণাধীন করা হয় এবং জেলা পুলিশ সুপারের আয়ত্তাধীন করা হয়। পাকিস্তান আমলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমুদ্র তীরবর্তী বন্দর, চট্টগ্রাম, মংলা ও নদীতীরবর্তী বড় শহর, খুলনা, বরিশাল, চাঁদপুর, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের মত বৃহৎ নদীবন্দরগুলোর অপরাধ দমন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জন্য গঠিত নৌ-পুলিশ ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ। করাচিতে এ সদর দফতর স্থাপিত হয়েছিল। নদী ও সমুদ্র বন্দরগুলোতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নৌ-পুলিশ মোতায়েন থাকত, বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দেশে জেলা পুলিশের সহযোগিতায় তারা কর্তব্য পালন করত। বাংলাদেশ সৃষ্টির পর ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে নৌ-পুলিশকে রিভার ব্যাটালিয়নের সঙ্গে একীভূত করা হয়। আর এ সদর দফতর স্থাপিত হয় বরিশাল শহরে।
এই পুলিশ বাহিনী স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরনের মাধ্যমে শ্রমিক এবং মালিকপক্ষ উভয়ের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য চেষ্টা করে থাকে। মালিকপক্ষ যাতে যথাসময়ে শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে দেয় সেদিকেও শিল্প পুলিশ লক্ষ্য রাখে।

ডগ স্কোয়াড
১৯৯৮ সালের ২০ নভেম্বর পৃথিবীর অন্যন্য দেশের পুলিশ বাহিনীর মত বাংলাদেশে পুলিশেও ডগ স্কোয়াড যুক্ত হয়। ২৫টি কুকুর নিয়ে এই ডগ স্কোয়াডের যাত্রা শুরু হয়। ২৫টি কুকুরের মধ্যে ১২টি জার্মান সেফার্ড এবং ১৩টি ল্যাবরাডার জাতের কুকুর ইংল্যান্ডের চিলপট ইউকে লিঃ- এর কাছ থেকে সরবরাহ নেয়া হয়। বিদেশী দুই জন বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশী ডগ স্কোয়াডে অফিসারদেরকে কুকুর পরিচালনাসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। এ ডগ স্কোয়াডের দায়িত্বে আছেন একজন পুলিশ কমিশনার, একজন সহকারী পুলিশ সুপার, একজন ইন্সপেক্টর, একজন সার্জেন্ট, তিন জন হাবিলদার, চার জন নায়েক ও ত্রিশজন কনস্টেবল। কুকুরের খাদ্য তৈরির জন্য দুই জন বাবুর্চি ও দুইজন ক্যানেল ক্লিনারও আছেন। মিরপুর ১৪ নং সেকশনে কুকুরগুলোর জন্য ক্যানেল ও আনুসঙ্গিক বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে।

সিআইডি
পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেসটিগেশন ডিপার্টমেন্ট সংক্ষেপে সিআইডি নামে পরিচিত। ঢাকার মালিবাগে এর প্রধান কার্যালয়টি অবস্থিত। একজন এডিশনাল আইজি সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।

সিআইডির কার্যক্রম:
• তদন্তেরর স্বার্থে পুলিশ কর্মকর্তা এবং সংস্থাকে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা।
• অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর পলাতক অপরাধীর পরিচিতি সংগ্রহ, সনাক্তকরণ ইত্যাদির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে সাহায্য করা।
• বিশেষ ধরনের অপরাধ ও পেশাদার অপরাধীর তথ্য সংগ্রহ করা। যাতে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে অন্য তদন্তকাজে সহায়তা করা যায়।

অপরাধী ও অপরাধকে সনাক্তকরণের জন্য সিআইডির নয়টি বিভাগ আছে:
1. ফিংগার প্রিন্ট ব্যুরো,
2. ফুট প্রিন্ট ব্যুরো,
3. হ্যান্ড রাইটিং ব্যুরো,
4. ব্যালেস্টিক ব্যুরো,
5. মাইক্রো এ্যানালাইসিস ব্যুরো,
6. কেমিকেল এ্যানালাইসিস ব্যুরো,
7. জালনোট শাখা,
8. ফটোগ্রাফিক ব্যুরো,
9. সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো।

স্পেশাল ব্রাঞ্চ
পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ সংক্ষেপে এসবি নামে পরিচিত। ষাটের দশকে ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনের তৎপরতা বৃদ্ধিসহ আন্দোলন পরিস্থিতিতে তৎকালীন সরকার দেশের প্রতিটি জেলায় পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ প্রতিষ্ঠা করেন। ঢাকার মালিবাগে এর সদর দফতর অবস্থিত।

পরবর্তীতে এ সংস্থার উপর আরো কিছু নতুন দায়িত্ব অর্পিত হয়। এসব দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে, আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, ছাত্র তৎপরতা ও শ্রমিক তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করা, রাজনৈতিক সংগঠনসমূহের তৎপরতা সম্পর্কে সতর্ক দৃষ্টি রাখা এবং সীমান্ত সংক্রান্ত বিষয় সরকারকে অবহিত করা। বাংলাদেশ সৃষ্টির পর এ সংস্থাটি আরো সুগঠিত করা হয় এবং ভিআইপি বা রাজকীয় অতিথিদের নিরাপত্তার জন্য এ সংস্থার সাথে যুক্ত করা হয় কিছু সংখ্যক প্রটেকশন ফোর্স। এ ফোর্স বাংলাদেশের প্রত্যেক মহানগর পুলিশ ফোর্সের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রে একজন অতিরিক্ত ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁকে সাহায্য করার জন্য কয়েকজন পুলিশ সুপার ও ডেপুটি পুলিশ সুপার, আর তার দাফতারিক স্টাফ রয়েছেন। রেঞ্জের অধীনস্থ প্রত্যেকটি জেলা সদরে একজন ইন্সপেক্টর এবং তার অধীনে সাব-ইন্সপেক্টর, সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর, হেড কনস্টেবল ও ওয়াচার কনস্টেবল রয়েছেন। জেলা স্পেশাল ব্রাঞ্চের সামগ্রিক দায়িত্ব জেলা পুলিশ সুপারের উপর ন্যস্ত থাকে। তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার সকল বিষয়ের সংবাদসমূহ কেন্দ্রীয় অফিসে প্রেরণ করেন।

স্পেশাল ব্রাঞ্চের কার্যাবলী
• বিভিন্ন সভা সমিতিতে নেতাদের দেয়া বক্তৃতা রেকর্ড করা এবং আপত্তিকর বক্তব্য প্রদানকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া।
• রাজনৈতিক ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে দৈনিক প্রতিবেন (DR) সাপ্তাহিক গোপনীয় প্রতিবেদন (WCR) ইত্যাদি তৈরি করে যথা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো।
• বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ড সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে যাচাই করা এবং সেগুলো লিপিবদ্ধ করা।
• রাষ্ট্রের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকারক কোন কর্মকান্ড ও আইন-শৃঙ্খলা অবনতিকারক কর্মকান্ড সম্পর্কে সংবাদ সংগ্রহ, যাচাই ও প্রয়োজনীয় প্রতি ব্যবস্থার জন্য দ্রুত যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা।
• সরকারী, আধা সরকারী, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরি প্রার্থীদের ভেরিফিকেশন।
• নিরাপত্তা পরীক্ষণ (Security Vetting)।
• দেশী/বিদেশী অতি গুরুত্বপূর্ণ (VVIP) এবং গুরুত্বপূর্ণ (VIP) ব্যক্তিগণের নিরাপত্তা দেয়া।
• কেপিআই ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের জরিপ, পরিদর্শন এবং সেগুলোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া।
• সীমান্তে উত্তেজনা বিষয় ও উপজাতীয়দের রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক কার্যকলাপ ও গতিবিধির উপর গোয়েন্দা নজর রাখা।
• রাজবন্দিদের অন্তরীণ সংক্রান্ত কার্যক্রম গ্রহণ করা।
• স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও জেলা স্পেশাল ব্রাঞ্চের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেয়া।
• সরকার কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য বিভিন্ন দায়িত্ব পালন।

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন
১৯৭৬ সালে ৯ ব্যাটালিয়নের একটি রিজার্ভ বাহিনী গঠন করে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন নাম দেয়া হয়। এই ব্যাটালিয়নের তত্ত্ববধায়ক হিসেবে একজন ডিআইজি আইজিপিকে সাহায্য করেন। নদী পথের জন্য একটি রিভার ব্যাটালিয়ন এবং কেবল নারী সদস্যদের নিয়ে একটি নারী ব্যাটালিয়নও আছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে মোট ১১ টি ব্যাটালিয়ন রয়েছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের। নদীপথ বা দূর্গম পার্বত্য অঞ্চলসহ সব জায়গাতেই পুলিশের এই ব্যাটালিয়নগুলো কাজ করছে।

প্রতিটি ব্যাটালিয়নে পাঁচটি কোম্পানী থাকে, আর প্রতিটি কোম্পানী ৩ টি প্লাটুনে বিভক্ত। প্রত্যেক ব্যাটালিয়নে সব মিলিয়ে ৬৪৭ জন পুলিশ সদস্য থাকেন।
দায়িত্ব
১৯৭৯ সালের আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অধ্যাদেশের মাধ্যমে এই ব্যাটালিয়নকে যেসব দায়িত্ব দেয়া হয়েছে:
ক) অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা।
খ) বেআইনী অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক প্রভৃতি উদ্ধার।
গ) সশস্ত্র অপরাধী চক্র গ্রেফতার।
ঘ) আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় অন্যান্য ইউনিটকে সহায়তা প্রদান।
ঙ) বিভিন্ন সময়ে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে কোন কাজ।
সাফল্য
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য দেখিয়ে আসছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা দেয়া, গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান যেমন নির্বাচন আয়োজন, ভিআইপি নিরাপত্তা দেয়া প্রভৃতি দায়িত্ব পালনে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন সুনাম কুড়িয়েছ। বিভিন্ন আন্ত: ইউনিট ক্রীড়া প্রতিযোগিতায়ও এই বিভাগের সাফল্য রয়েছে। এছাড়া ২০১০ সালের জুন থেকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তার সার্বিক দায়িত্ব নেবার পর থেকে সেখানকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং যাত্রী হয়রানি রোধে বিশেষ ভূমিকা রাখেছে।

পুলিশের পদসমূহ
জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তাগণঃ
• পুলিশের মহাপরিদর্শক/ইনস্পেকটর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি)
• পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক/এডিশনাল ইনস্পেকটর জেনারেল অব পুলিশ (এডিশনাল আইজিপি)
• ডেপুটি ইনস্পেকটর জেনারেল অব পুলিশ (ডিআইজি)
• এডিশনাল ডেপুটি ইনস্পেকটর জেনারেল অব পুলিশ (এডিশনাল ডিআইজি)
• সুপারিনটেন্ডেন্ট অব পুলিশ (এসপি)/ এ্যাসিস্টেন্ট ইন্সপেকটর জেনারেল অব পুলিশ (এআইজি, সদর দপ্তরের ক্ষেত্রে)/ স্পেশাল সুপারিনটেন্ডেন্ট (এসএস, এসবি এবং সিআইডিতে), সুপারিনটেন্ডেন্ট অব রেলওয়ে পুলিশ (এসআরপি, রেলওয়ে পুলিশের ক্ষেত্রে)
• এডিশনাল সুপারিনটেন্ডেন্ট অব পুলিশ (এডিশনাল এসপি)
• সিনিয়র এ্যাসিস্টেন্ট সুপারিনটেন্ডেন্ট অব পুলিশ (সিনিয়র এএসপি)
• এ্যাসিস্টেন্ট সুপারিনটেন্ডেন্ট অব পুলিশ (এএসপি)

মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তাগণের পদবীসমূহঃ
• পুলিশ কমিশনার
• এডিশনাল কমিশনার অব পুলিশ
• জয়েন্ট কমিশনার অব পুলিশ
• ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ (ডিসি)
• এডিশনাল ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ (এডিসি)
• সিনিয়র এ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব পুলিশ (সিনিয়র এসি)
• এ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব পুলিশ (এসি)

শিল্প পুলিশ এবং র‍্যাব কর্মকর্তাদের পদবীসমূহঃ
• ডিরেক্টর জেনারেল
• এডিশনাল ডিরেক্বটর জেনারেল
• ডিরেক্টর
• ডেপুটি ডিরেক্টর (ডিডি)
• সিনিয়র এ্যাসিস্টেন্ট ডিরেক্টর (সিনিয়র এডি)
• এ্যাসিস্টেন্ট ডরেক্টর (এডি)

অধীনস্ত কর্মকর্তাগণ
নিরস্ত্র শাখা
• ইনস্পেকটর অব পুলিশ
• সাব-ইন্সপেকটর (এস আই)/টাউন সাব ইন্সপেকটর (টিএসআই)
• এ্যাসিস্টেন্ট সাব-ইন্সপেকটর (এএসআই)/আন আর্মড হেড কনস্টেবল (এইচসি)
• কনস্টেবল

সশস্ত্র শাখা
• আর্মড ইন্সপেকটর
• আর্মড সাব-ইন্সপেকটর (আর্মড এসআই)/সুবেদার
• হেড কন্সটেবল(এইচ সি)/হাবিলদার
• নায়েক
• কনস্টেবল

শিল্প পুলিশ
• ডেপুটি এ্যাসিস্টেন্ট ডিরেক্টর (ডিএডি)
• সার্কেল কমান্ডার (সাব ইন্সপেক্টর)
• এ্যাসিস্টেন্ট সাব ইন্সপেকটর (এএসআই)/হেড কনস্টেবল
• নায়েক
• কনস্টেবল

র‍্যাব
• ডেপুটি এ্যাসিস্টেন্ট ডিরেক্টর (ডিএডি)
• সার্জেন্ট/সাব ইন্সপেক্টর (এসআই)
• এ্যাসিস্টেন্ট সাব ইন্সপেকটর (এএসআই)
• নায়েক
• কনস্টেবল

ট্রাফিক বিভাগ
• ট্রাফিক ইন্সপেকটর (টিআই)
• সার্জেন্ট/টাউন সাব-ইন্সপেকটর (টিএসআই)
• এ্যাসিস্টেন্ট সাব ইন্সপেকটর (এএসআই)/আন আর্মড হেড কনস্টেবল (এইচসি)
• ট্রাফিক কনস্টেবল

বাংলাদেশ পুলিশ সম্পর্কে কিছু তথ্য
• বাংলাদেশের একমাত্র পুলিশ একাডেমী রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার সারদায় অবস্থিত।
• কনস্টেবলদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে পি.টি.সি বা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার বলে। বাংলাদেশে ৪টি পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পি.টি.সি) আছে। যথা: (ক) নোয়াখালী (খ) মহেড়া, টাংগাইল (গ) খুলনা ও (ঘ) রংপুর।
• পুলিশ বাহিনীর জন্য ২ স্তরের পুরস্কার রয়েছে। যথা (ক) বীরত্ব পুরস্কার, (খ) জিএস মার্ক। বীরত্ব পুরস্কার ৩টি। যথা (ক) বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল, (খ) প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল, (গ) আই.জি ব্যাজ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাষ্ট্র ও জনগণের সেবায় দৃষ্টান্তমূলক কাজের জন্য বীরত্ব পুরস্কার দেওয়া হয়। G.S Mark হল সার্ভিস বইতে প্রশংসাপূর্ণ মন্তব্য লিখন যা পুলিশ বা তদূর্ধ কর্মকর্তাগণ দিয়ে থাকেন।
• পুলিশ বাহিনীর জন্য ২ প্রকার শাস্তির ব্যবস্থা আছে। যথা: (ক) লঘু দন্ড ও (খ) গুরু দন্ড।
• রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স-এর স্মৃতিসৌধটি ১৯৭১ সনের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাক বাহিনীর আক্রমণে নিহত পুলিশদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়। ১৯৮৯ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

পুলিশী সেবা পেতে
ঔপনিবেশিক আমলে পুলিশ বাহিনী গঠনের উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, একটি স্বাধীন দেশে পুলিশ বাহিনী জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার কথা। একারণে এখন পুলিশ ফোর্স না বলে পুলিশ সার্ভিস বলা হয়ে থাকে।
কিন্তু বিভিন্ন প্রয়োজনে কিভাবে পুলিশের সেবা নিতে হয়, কোথায় কি প্রক্রিয়ায় যোগাযোগ করতে হয়, ইত্যাদি তথ্য ঠিকমত না জানার কারণে অনেকেই বিভিন্ন প্রয়োজনে বা বিপদে সহজে পুলিশের দারস্থ হন না। অথচ অনেক ক্ষেত্রেই পুলিশের সাহায্য নেয়ার প্রক্রিয়াটি খুব বেশি জটিল নয়। আবার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নেয়া, পাসপোর্ট করা প্রভৃতি ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা অগ্রাহ্য করার সুযোগ নেই। এসব বিষয় চিন্তা করে পুলিশের সেবা আর সেবা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য থাকছে এবার।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
বিদেশে যাওয়া বা বিদেশে চাকুরির ক্ষেত্রে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়। পুলিশ ক্লিয়রেন্স সার্টিফিকেট এর অর্থ হচ্ছে, যাকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়া হচ্ছে তিনি কোন অপরাধী নন এবং তার বিরুদ্ধে থানায় কোন অভিযোগও নেই।
ঢাকার বাসিন্দাদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হলে রমনায় অবস্থিত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদরদপ্তরে যোগাযোগ করতে হবে। সকল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ইংরেজী ভাষায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে সত্যায়িত করে দেয়া হয়।

যোগাযোগ:
‘পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ওয়ান ষ্টপ সার্ভিস’, রুম-১০৯,
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়াটার্স,
৩৬, শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সরণী, রমনা, ঢাকা।
হেল্পলাইনঃ- ০১১৯১০০৬৬৪৪, ০২-৭১২৪০০০, ৯৯৯-২৬৩৫

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নেবার পদ্ধতি:
একটি সাদা কাগজে বাংলা বা ইংরেজীতে পুলিশ কমিশনার মহোদয় বরাবর আবেদন করতে হয়, সাথে ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের ফটোকপি দিতে হয়। পাসপোর্টের যে সকল পৃষ্ঠায় প্রার্থী সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে যে সকল পৃষ্ঠা এবং যদি নবায়ন করা হয়ে থাকে তবে নাবায়নের পৃষ্ঠাসহ পাসপোর্টের ফটোকপি দাখিল করতে হয়। কর্তৃপক্ষ চাইলে মূল পাসপোর্টও প্রদর্শন করতে হয়। মেয়াদ উত্তীর্ণ পাসপোর্ট গৃহীত হয় না।

ঠিকানা সংক্রান্ত নিয়মাবলী:
পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থায়ী কিংবা অস্থায়ী ঠিকানার যে কোন একটি অবশ্যই ঢাকা মহানগর এলাকার অভ্যন্তরে হতে হবে এবং অবশ্যই ঐ ঠিকানায় বসবাস করতে হবে। যদি পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানা অথবা “থানা এলাকার” পরিবর্তন হয় তবে নিকটস্থ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ঠিকানা সংশোধন করে পাসপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি দাখিল করতে হবে। প্রার্থীর দাখিলকৃত জাতীয় পরিচয় পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদ/স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর সনদপত্রে উল্লেখিত ঠিকানার সাথে প্রার্থীর বর্তমান বসবাসের ঠিকানার মিল থাকা জরুরি।

যারা বিদেশে অবস্থান করছেন তাদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশন অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের ফটোকপিসহ তার পক্ষে আত্মীয়/অনুমোদিত ব্যক্তি আবেদন পত্র দাখিল করতে পারেন।

পাসপোর্টে উল্লেখিত ঠিকানা যদি ঢাকা মহানগরীর বাইরে হয় তবে ঠিকানাটি যে জেলার অন্তর্গত সেই জেলার বিশেষ পুলিশ সুপার বরাবর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্র দাখিল করতে হয়।

সাথে যা যা প্রয়োজন:
বাংলাদেশ ব্যাংক/সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখায় কোড নম্বর- (১-২২০১-০০০১-২৬৮১) এর অনুকূলে ৫০০ (পাঁচশত) টাকা মূল্যমানের ট্রেজারী চালানের মূলকপি। ব্যাংক চালানের কোড নম্বর এর ঘরে কোন প্রকার ঘষামাজা / ফ্লুইড ব্যবহার করা যাবে না এবং সঠিকভাবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর ও সিল দেয়া হল কিনা সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এম.আর.পি) ক্ষেত্রে যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে তবে ঠিকানার প্রমাণ স্বরুপ জাতীয় পরিচয় পত্র/ জন্ম নিবন্ধন সনদ/ স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রদত্ত সনদপত্রের ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে দাখিল করতে হয়।
শুধুমাত্র “স্পেন” সংক্রান্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার জন্য প্রার্থীকে তার আবেদনসহ উপরে উল্লেখিত কাগজপত্রের সাথে ০৩ (তিন) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি সত্যায়িত করে “সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়” বরাবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন শাখা ০৩ এ দাখিল করতে হয়।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নেয়া
আবেদনপত্র জমা দেয়ার পর অফিস থেকে প্রাথমিকভাবে সিরিয়াল নম্বরসহ একটি টোকেন দেয়া হয়। টোকেনে একটি তারিখ উল্লেখ করা হয়। উল্লেখিত তারিখে সংশ্লিষ্ট থানায় টোকেনটি জমা দিতে হয়। এরপর থানার তরফ থেকে একটি তদন্তর্কায সম্পন্ন করা হয়। এই তদন্তের সাত (৭) কর্মদিবসের মধ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেয়া হয়।

বাংলাদেশে বসবাসরত/কর্মরত বিদেশী নাগরিক/বিদেশী পাসপোর্টধারী ব্যক্তিগণ উপরোক্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নিজে অথবা অনুমোদিত ব্যক্তি দ্বারা আবেদনপত্র দাখিল করে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে পারবেন।

পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের নিকট আবেদনের নমুনা-

বরাবর,
পুলিশ কমিশনার
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ
ঢাকা।
বিষয়ঃ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আবেদন।

জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী এই মর্মে আবেদন করছি যে, আমি/ আমার……………………………………….বিদেশ যাওয়া/ স্থায়ীভাবে বসবাস করা/ ……………………………………………………………………………….. জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন। আমার…………………………………………………………………… পাসপোর্ট অনুযায়ী বৃত্তান্ত নিম্নরুপঃ-

নাম……………………………………………………………………………………..
পিতা/ স্বামী…………………………………………………………………………….
ঠিকানা…………………………………………………………………………
…………………………………………………………………………………
পাসপোর্ট নম্বর ……………………..ইস্যুর তারিখ ………………………………..
স্থান ………………………………………………….

অতএব, মহোদয়ের নিকট আবেদন, আমি যাতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে পারি তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে মর্জি হয়।

বিনীত নিবেদক
তারিখ………………..
………………………….
ফোন………………………

গ্রেফতার হলে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বা অন্যান্য প্রয়োজনে পুলিশ বিভিন্ন অভিযানে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আটক করে থাকে। তবে কোন অভিযোগ ছাড়া কাউকে অনির্দিষ্টকাল আটক করে রাখতে পারে না। ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাকে ছেড়ে দিতে হয় বা কোন আইনের আওতায় তাকে গ্রেফতার দেখাতে হয় এবং কোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করতে হয়। ম্যাজিস্ট্রেট প্রয়োজনে আটকাদেশ দিতে পারেন।
পুলিশ গ্রেফতার করলে করণীয়:
o পুলিশের নিকট নাম, ঠিকানা ও পেশাসহ পরিচয় তুলে ধরতে হবে।
o পেশজীবি বা ছাত্র হলে পরিচয়পত্র প্রদর্শন করা যেতে পারে। একারণে সবসময় পরিচয়পত্র সাথে রাখা উচিত।
o এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পরিচিত আইনজীবির ফোন নম্বর সাথে রাখা যেতে পারে এবং গ্রেফতারের পর দ্রুত আইনজীবিকে বিষটি জানিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা উচিত। অন্তত আত্নীয় বা বন্ধুকে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করা যেতে পারে।
o ঢাকায় গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে মিন্টো রোডের ডিবি অফিসে নেয়া হয়, আর যে কোন থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে সংশ্লিষ্ট থানায় নেয়া হয়।
o গ্রেফতারের পর কাউকে লকআপে রাখার আগে তার বিভিন্ন জিনিসপত্র যেমন, কাগজ, মোবাইল ফোন, টাকা-পয়সা ও ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদি থাকলে তার কাছ থেকে নিয়ে নেয়া হয়। তবে সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার সেগুলোর একটি তালিকা তৈরী করে আটককৃত ব্যক্তির সাক্ষর নেয়। এই সাক্ষর দেবার সময় তালিকাটি পড়ে নেয়া উচিত।
o পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা পাঠ করে বা বিবৃতির ভাষ্য অবগত হয়ে তাতে স্বাক্ষর করা উচিত।
o গ্রেফতারের পর আইনজীবী বা পরিবারের কাউকে গ্রেফতারের বিষয়টি জানাতে না পারলে আদালতে হাজির করার পর ম্যাজিস্ট্রেটকে সরাসরি বিষয়টি জানানো উচিত। এতে আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
o গ্রেফতারের পর কোন পর্যায়ে নির্যাতনের শিকার হলে বা অসুস্থ হলে আদালতের মাধ্যমে বা নিজ উদ্যোগে মেডিকেল চেকআপ করিয়ে নিতে নেয়া যায়। চেকআপ করালে এ রিপোর্টটি সংগ্রহে রাখা উচিত। চেকআপকারী ডাক্তারের পরিচয় জেনে রাখা উচিত কারণ তা পরবর্তীতে প্রয়োজন হতে পারে।
o পুরনো কোন মামলায় গ্রেফতার হলে দ্রুত ঐ মামলার নম্বরসহ কাগজপত্র নিয়ে আদালতে গিয়ে জামিন শুনানীর চেষ্টা করা যেতে পারে।
o নতুন কোন মামলায় বা কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার হলে একজন আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে জামিন শুনানীর চেষ্টা করা যেতে পারে।

চেক ডিজঅনার হলে
ব্যাংকে রাখা টাকা তুলতে হলে গ্রাহককে চেক লিখতে হয়। সেই চেক গ্রাহক বা অন্য কেউ ব্যাংকে দেবার পর ব্যাংক চেকে উল্লিখিত অংকের নগদ টাকা দেয়। আধুনিককালের ক্রেডিট কার্ড এবং ক্যাশ কার্ডকেও চেকের একটি বিশেষরূপ বলা যায়।
চেক বিভিন্নভাবে লেখা যায়:
• বাহক চেক: এসব চেক যেকোন বাহক ভাঙাতে পারে।
• ক্রস চেক বা একাউন্ট পেয়ী চেক: এসব চেকে প্রাপকের নাম লিখে দেয়া হয় এবং সরাসরি তাকে টাকা না দিয়ে তার একাউন্টে জমা করা হয়। পরে প্রাপক নিজের চেক বইয়ের মাধ্যমে টাকা তুলতে পারেন।
• অগ্রিম চেক: এধরনের চেকে অগ্রিম তারিখ লিখে দেয়া হয় এবং নির্ধারিত তারিখের আগে টাকা তোলা যায় না।

চেক ডিজঅনার হওয়া:
চেকে উল্লিখিত অংকের টাকা একাউন্টে না থাকলে ব্যাংকের পক্ষে টাকা দেয়া সম্ভব হয় না এবং চেক প্রত্যাখ্যান করা হয়, যা চেক ডিজঅনার হওয়া নামে পরিচিত।
চেক ডিজঅনার হওয়া একটি অপরাধ:
ডিজঅনার হওয়া চেকের বাহক একাউন্টধারী নিজে হলে সেটা কোন অপরাধ নয়। কিন্তু যদি এমন হয় যে একাউন্টধারী অন্য কাউকে চেক লিখে দিলেন এবং সেটি ব্যাংকে প্রত্যাখ্যাত হল, তবে সেটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
১৮৮১ সালের নে

ঢাকায় অবস্থিত পুলিশ সদর দপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তার ফোন নম্বর
আইজিপি ৯৫১৪৪৪৪, ৯৫১৪৪৪৫, ০১৭১৩-৩৭৩০০০, ০১৭১১-৫৩৮৩১২
অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) ৯৫১৫১০৫, ০১৭১৩-৩৭৩০০১
অতি: আইজি (অর্থ ও উন্ন:) ৯৫১৫১৭৭, ০১৭১৩-৩৭৩০০৩
অতি: আইজি (আরএমএন্ডটি)/ট্রেনিং ৭১৭৬৪৫৬, ০১৭১৩-৩৭৩০০২
ডিআইজি (প্রশাসন ও অপারেশন) ৯৫১৫২৬২, ০১৭১৩-৩৭৩০০৪
ডিআইজি (অপরাধ/ক্রাইম) ৭১৭৬৪৫৯, ০১৭১৩-৩৭৩০০৭
ডিআইজি (অর্থ ও উন্নয়ন) ৭১৭৬৪৫৪, ০১৭১৩-৩৭৩০০৫
ডিআইজি (ট্রেনিং) ৯৫১৫৬০৫, ০১৭১৩-৩৭৩০০৬
এআইজি (প্রশাসন) ৯৫৬১৪১৪, ০১৭১৩-৩৭৩০২৫
এআইজি (সংস্থাপন) ৯৫৬৬৬৭৭, ০১৭১৩-৩৭৩০০৮
এআইজি (গোপণীয়) ৯৫৬৩২৩৫, ০১৭১৩-৩৭৩০১০
এআইজি (অর্থ ও বাজেট) ৯৫৫৮১৩৯, ০১৭১৩-৩৭৩০০৯
এআইজি (ইএন্ডটি) ৯৫৬৪৭৭৯, ০১৭১৩-৩৭৩০১১
এআইজি (আরএন্ডএম) ৯৫৬৮৭১৯, ০১৭১৩-৩৭৩০১২
এআইজি (সরবরাহ) ৯৫৬৭০০১, ০১৭১৩-৩৭৩০১৩
এআইজি (সি: সেল) ৯৫৬১৮৪৬, ০১৭১৩-৩৭৩০১৪
এআইজি (পিএন্ডআর) ৭১২৫০৬২, ০১৭১৩-৩৭৩০১৫
এআইজি (কল্যাণ, পেনশন, ক্রীড়া) ৯৫৬১৩১১, ০১৭১৩-৩৭৩০১৬
এআইজি (অপরাধ – ১) ৯৫৬২৮৪৯, ০১৭১৩-৩৭৩০১৭
এআইজি (অপরাধ – ২) ৯৫৫৯৪৪১, ০১৭১৩-৩৭৩০১৮
এআইজি (অপরাধ – ৩) ৯৫৬৩৫১৫, ০১৭১৩-৩৭৩০১৯
এআইজি (অপরাধ – ৪) ৯৫৫৮৩৬৩, ০১৭১৩-৩৭৩০২০
এআইজি (ট্রেনিং) ৯৫৬৪৭৭৫, ০১৭১৩-৩৭৩০২১
এআইজি (ইউএন ডেস্ক) ৯৫৬১৭৩০, ০১৭১৩-৩৭৩০২২
এআইজি (এনসিবি) ৯৫৬৯৩৪২, ০১৭১৩-৩৭৪৫০২
এআইজি (ইএন্ডডি রেভিনিউ) ৯৫৬৯৩৪২, ০১৭১৩-৩৭৩০২৪
এআইজি (ইএন্ডডি ডেভেলপমেন্ট) ০১৭৩০-৩৩৬১১৫
এআজি (মিডিয়া সেল) ৯৫৭০৪৪৯, ০১৭১৩-৩৭৪৬৬৩
এসপি (অপস্), পু.হে.কো. ০১৭১৩-৩৭৩০২৯
সিনিয়র সিষ্টেম এনালিষ্ট/এডমিনিষ্ট্রেটর ৭১৬৮২৬৭
সিনিয়র মেইনট্যানেন্স ইঞ্জিনিয়ার ৯৫৫৩৯৯১
কম্পিউটার প্রোগ্রামার ৯৫৭০২২৯
ষ্টাফ অফিসার টু আইজিপি ৯৫৬১০২৮, ০১৭১৩-৩৭৩০২৩
পিএস টু আইজিপি ০১৭১৩-৩৭৪৫০৫
ষ্টাফ অফিসার টু অতি: আইজি (প্রশা:) ১৭১৩-৩৭৪৬৭৮
অতি: এসপি (ইএন্ডডি) ০১৭১৩-৩৭৩৬২২
অতি: এসপি (পিআইও) ৭১২৬৩০০
এএসপি (প্রশাসন) ৯৫৬১৫৬২, ০১৬৭৮-০২৩২৫১
এএসপি (অপারেশন – ২) ০১৭১৩৩৭৪২৪৭
এএসপি (অপারেশন – ১) ০১৭১৩৩৭৪৩৬২
এএসপি (অপারেশন – ৩) ০১৭১৩৩৭৪৫০১
এএসপি (আইডি কার্ড প্রকল্প) ০১৭৩০৩৩৬১১২
প্রশাসনিক কর্মকর্তা (আরএন্ডএম) ০১৭১৩০৪৭৫৯৯
আইন কর্মকর্তা ৯৫৬৭৩৫৯, ০১৭১৩৩৭৩০২৬
তথ্য অফিসার ৯৫৬৬৯৯৮, ০১৭১৩৩৭৩০২৭
বাজেট অফিসার ৯৫৫৩৯৬৬, ০১৭১৩৩৭৪৫০৪
এম আই এস শাখা ৯৫৬৬২৫৫
তথ্য শাখা ৭১২৬৩০০
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স (আর – ১) ০১৭১৩৩৭৪৫০০
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স (আর – ৪) ০১৭১৩৩৭৪৫০৩
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স (আর – ৫) ০১৭১৩৩৭৪৫০৪
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স (আর – ৬) ০১৭১৩৩৭৪৫২৪
অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স এসো: ০১১৯৯১৩৩৯৫০
সভাপতি, অবসর প্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স এসোসিয়েশন ০১১৯৯১৩৩৯৫০
সেক্রেটারী, অবসর প্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স এসোসিয়েশন ০১৭১৫৮৯১৯১৯
সেক্রেটারী, পলওয়েল ৯৩৩২৭৫৭, ০১৭১১৪৬৮৭৭৭
পুলিশ অফিসার্স ক্লাব ৯৩৪৬৬৭৭
এআইজি (টেলিকম) ৯৩৩২৩৯৫, ৮৩২২৫০৬ এক্স – ১০১, ০১৭১৩৩৭৩০২৮
এসপি (অপারেশন) ৯৩৩৩৬২৫, ৮৩২২৫০৬ এক্স-১০২
অতি: পুলিশ সুপার (ট্রেনিং) ৯৩৩৩৩৫৪, ৮৩২২৫০৬ এক্স-১০৩
এএসপি (প্রশাসন) ৮৩২২৫০৪, ৮৩২২৫০৬ এক্স-১০৪
আরওআই, টেলিকম, ঢাকা ৮৩২২৫০৬ এক্স-১০৫
সেন্ট্রাল বেইজ ষ্টেশন, ঢাকা ৯৩৪৪৬২৯, ৮৩২২৫০৬
ওসি বেইজ ৮৩২২৫০৬ এক্স-১০৬
ওসি ট্রেনিং ৮৩২২৫০৬ এক্স-১০৭
এএসপি (প্রজেক্ট) ৮৩২২৫০৬ এক্স-১০৮
ওসি ষ্টোর ৮৩২২৫০৬ এক্স-১০৯
প্রধান সহকারী ৮৩২২৫০৬ এক্স-১১০
হিসাবরক্ষক ৮৩২২৫০৬ এক্স-১১১
আরও-১ ৮৩২২৫০৬ এক্স-১১২
ওসি ক্লোথিং ষ্টোর ৮৩২২৫০৬ এক্স-১১৩
ডিপার্টমেন্টাল ষ্টোর ৮৩২২৫০৬ এক্স-১১৪
পিএ টু এআইজি (টেলিকম) ৮৩২২৫০৬ এক্স-১১৫
পিমএ টু এসপি (অপারেশন) ৮৩২২৫০৬ এক্স-১১৬
ওসি রেডিও ওয়ার্কসপ ৮৩২২৫০৬ এক্স-১১৭
এএসপি ডিএমপি প্রজেক্ট ৮৩২২৫০৬ এক্স-১১৮
রেডিও ষ্টোর ৮৩২২৫০৬ এক্স-১১৯
পাওয়ার শাখা ৮৩২২৫০৬ এক্স-১২০
ক্যান্টিন ৮৩২২৫০৬ এক্স-১২১
রিসিপশন ৮৩২২৫০৬ এক্স-১২২
ওসি ষ্টোর ৮৩২২৫০৬ এক্স-১২৩
ওসি বেইজ ৮৩২২৫০৬ এক্স-১২৪/০
ডিএমপি বেতার কন্ট্রোল রুম ৮৬২০৭৭৬

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর
পুলিশ কমিশনারঃ ৯৩৩১৫৫৫, ৮৩৫৫২৩২, ৮৬১৬৫৫৬, ৯৩৫৫৮৩৩, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৯৯, ০১৭১১-৫৩৮৩১৩
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ)ঃ ৯৩৪৩৪৫৫, ৯৩১৪৭৬৬, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩১০১, ০১৭১১-৮৮৩৭১২
জয়েন্ট পুলিশ কমিশনার (হে:কো: এন্ড পিওএম)ঃ ৯৩৩৯৪৫৯, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩১০৩
জয়েন্ট পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপস্)ঃ ৯৩৬০৮০৬, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩১০৪
জয়েন্ট পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক)ঃ ৯৩৫০৬২০, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩১০৬
জয়েন্ট পুলিশ কমিশনার (গোয়ান্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ)ঃ ৮৩৩২৪০৬, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩১৯৩
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপস্)ঃ ৯৩৫৯০৪৮
জয়েন্ট কমিশনার (প্রটেকশন এন্ড প্রটোকল)ঃ ৯৩৩৮৫৯২, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩১০৫
উপ-পুলিশ কমিশনার (সঃদঃ)ঃ ৯৩৪৫৯৪৪, ৯৩৩০৪৪২, ৮৩৩৩২৪৮(রাজারবাগ), ০১৭১৩-৩৭৩১০৮
সিষ্টেম এনালিষ্টঃ ৯৩৫৯৬২৩, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৯৮৩৮১
অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সঃদঃ)ঃ ৮৩১৭৮৬৩, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩১১৩
অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অর্থ)ঃ ৯৩৪৩৪০৬, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৯৮৩০০
ভেটেনারী অফিসারঃ ৯৩৬২৭১৪, মোবাইলঃ ০১৭১১-৮০৬৪২৮
সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন)ঃ ৯৩৫২৩১৭, মোবাইল ০১৭১৩-৩৯৮৩১৫
সহকারী পুলিশ কমিশনার (সঃদঃ) ও ষ্টাফ অফিসার টু পুলিশ কমিশনারঃ ৮৩১৪১২৮, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩১০৭
সহকারী পুলিশ কমিশনার (ফোর্স)ঃ ৯৩৪১১৭২, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩১১৬
পুলিশ কমিশনার (সংরক্ষণ আরও)ঃ ৯৩৫৫২৩৮, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৯৮৩০৬
সহকারী পুলিশ কমিশনার (অর্থ)ঃ ৯৩৪৭৯৮৮, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৯৮৩১৪
সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্রেনিং ও ক্রীড়া)ঃ ৮৩৫২৪৩৯, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৯৮৩০৭
সহকারী পুলিশ কমিশনার (কল্যাণ)ঃ ৯৩৬২৭৩৮, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩১১৭
সহকারি পুলিশ কমিশনার (মহিলা পুলিশ)ঃ ৯৩৫২৭৬৫, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৯৮৩১৬
সহকারি পুলিশ কমিশনার (অপরাধ)ঃ ৯৩৫৫৩৪৩, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৯৮৩২১
সহকারি পুলিশ কমিশনার (কন্ট্রোলরুম)ঃ ৮৬১৬৫৫১-৩, ৮৬১৬৫৫৩, ৮৬১৪৩০০, ৯৬৬৫৪০৭, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩১১৯
সহকারি পুলিশ কমিশনার (অপারেশন)ঃ ৮৩৩২৭৭৫, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৯৮৩১৩

ডিআইজি, ঢাকা রেঞ্জ-এর প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর
ডিআইজিঃ ৮৩৫৩৯২৬, ৯৩৫৬২৩৩, ০১৭১৩-৩৭৩৩১৬, ই-মেইলঃ digdhaka@police.gov.bd
অতিরিক্ত ডিআইজিঃ ৮৩১৬৬৪৪, ০১৭১৩-৩৭৩৩১৭, ই-মেইলঃ addldigdhaka@police.gov.bd
স্টাফ অফিসার টু ডিআইজিঃ ৯৩৩৬৯৫১, ০১৭১৩-৩৭৩৩১৮, ই-মেইলঃ sodigdhaka@police.gov.bd
প্রধান সহকারীঃ ৯৩৫৪৩৫৪
রেঞ্জ কন্ট্রোলরুমঃ ৮৩১৮২৫৪, ৮৩১৫৮৩৮

সিআইডির বিভিন্ন কর্মকর্তার ফোন নম্বর
এডিশনাল ইন্সপেক্টর জেনারেল ৮৩১২২০২, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৪২
ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল : এইচ আর এম ৯৩৪৩২২৪, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৪৩
ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল, ক্রাইম ওয়েস্ট ৯৩৩০২৬০, মোবাইলঃ ০১৭৩০-৩৩৬১৭০
কমান্ড্যান্ট, ডিটিএম, সিআইডি, ঢাকা ৯৩৩৯৮৭৪, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৪৪
অতি: ডিআইজি (কেন্দ্রীয় অপরাধ) ৯৩৩০৪১৪, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৪৬
বিশেষ পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ৯৩৩৭১৬৬, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৪৫
বিশেষ পুলিশ সুপার (ঢাকা বিভাগ) ৯৩৩৯৮৮৬, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৪৮
বিশেষ পুলিশ সুপার (ঢাকা মেট্রো) ৯৩৩০২৬০, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৪৯
বিশেষ পুলিশ সুপার (ঢাকা মেট্রো) উত্তর ৯৩৪৮৬৩৬, মোবাইলঃ ০১৭১১-৮৬৮২১৪
বিশেষ পুলিশ সুপার (ঢাকা মেট্রো) দক্ষিণ ৯৩৩০৯৪৯, মোবাইলঃ ০১৭৩০-৩৩৬১৭৪
বিশেষ পুলিশ সুপার (বরিশাল বিভাগ) ৯৩৩৩২৬৪, মোবাইলঃ ০১৭৩০-৩৩৬১৭৯
বিশেষ পুলিশ সুপার (সিলেট বিভাগ) ৯৩৫২৭০৪, মোবাইলঃ ০১৭৩০-৩৩৬১৭৮
বিশেষ পুলিশ সুপার (ফরেনসিক বিভাগ) ৯৩৩২২৬৮, মোবাইলঃ ০১৭৩০-৩৩৬১৮০
বিশেষ পুলিশ সুপার (খুলনা বিভাগ) ০৪১-৭৮৬১৫৭, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৫১
বিশেষ পুলিশ সুপার (চট্টগ্রাম বিভাগ) ০৩১-৬১৮৪৫৫, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৪৭
বিশেষ পুলিশ সুপার (রাজশাহী বিভাগ) ০৭২১-৮১২৬৪৭, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৫০
প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক ৯৮৯৮৬৭৬, মোবাইলঃ ০১৯১৩-০৫৫০১১
সিস্টেম এনালিস্ট/এ্যাডমিনিষ্ট্রেটর ৮৩৩১৪২২, মোবাইলঃ ০১৯১১-৪০৪৮৫০
অতি: এসএস (প্রশাসন) ৯৩৫৭৬৭৬, মোবাইলঃ ০১৭৩০-৩৩৬১৮১
অতি: এসএস (কেন্দ্রীয় অপরাধ) ৯৩৫০১৮৩, মোবাইলঃ ০১৭৩০-৩৩৬১৮৬
অতি: এসএস (ঢাকা বিভাগ) ৯৩৪৩৬৬৯, মোবাইলঃ ০১৭৩০-৩৩৬১৯৩
অতি: এসএস (ফরেনসিক বিভাগ) ৯৩৫৮৪৯৭
অতি: এসএস (ঢাকা মেট্রো) ৯৩৫৭৬৮০, মোবাইলঃ ০১৭৩০-৩৩৬১৮৭
অতি: এসএস (বরিশাল বিভাগ) ৯৩৫৭৬৭৬, মোবাইলঃ ০১৭৩০-৩৩৬১৮৯
অতি: এসএস (সিলেট বিভাগ) ৯৩৩৭৬৯৬, মোবাইলঃ ০১৭৩০-৩৩৬১৯২
অতি: এসএস (রাজশাহী বিভাগ) ০৭২১-৮১২৬৪৮, মোবাইলঃ ০১৭৩০-৩৩৬১৯০
অতি: এসএস (চট্টগ্রাম বিভাগ)ঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-৩৩৬১৯৪
সহকারী পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ৯৩৩৯২৮০
এএসপি (স্টাফ অফিসার টু অতি: আইজিপি) ৯৩৩০২৭৩, মোবাইলঃ ০১৭১২-৯৬৭৮৩১
সহকারী পুলিশ সুপার, রমনা ইউনিট ৯৩৩২২৯১
সহকারী পুলিশ সুপার (ঢাকা জোন) ৯৩৫৮৫১৫
সহকারী পুলিশ সুপার (মতিঝিল) ৮৩৫১১১৪
সহকারী পুলিশ সুপার (তেজগাঁও) ৯৩৫৮৩২৫
সহকারী পুলিশ সুপার (উত্তরা ইউনিট) ৯৩৩২২৯১
এএসপি (গুলশান ইউনিট) ৯৩৫৬১০৪
এএসপি (কোতয়ালী ইউনিট) ৯৩৩৫৩৩৫
এএসপি (মিরপুর ইউনিট) ৯৩৫৮৪৯৭
এএসপি (ডেমরা ইউনিট) ৯৩৬১৬৪১
এএসপি (টিএইবি ইউনিট) ৯৩৫৬৩১৮
এএসপি, সি আই ইউ এ ইউনিট ৯৩৪১২১৪
এএসপি (প্রশাসন), ডিটিএস ৯৩৫৮৩৬৫
আরওআই, (রিজার্ভ অফিস) ৯৩৫৮৮৮৭
মনিটরিং সেল/কম্পিউটার শাখা ৯৩৩৩৩৬১
এ আর শাখা ৯৩৪৫৪৯৯
যানবাহন শাখা ৯৩৪৮২৭৬
কন্ট্রোল রুম ৯৩৩১০৪৩, পিএবিএক্স নং ৯৩৩৯২২৩
সিআইডি জোন : ময়মনসিংহ ০৯১-৬৫৭১৬
সিআইডি জেলা অফিস : নেত্রকোণা ০৯৫১-৬১২৭৪
সিআইডি জোন : বরিশাল ০৪৩১-৬৪৭০৪
সিআইডি জোন : চট্টগ্রাম ০৩১-৬১৮১২৭
সিআইডি জোন : কুমিল্লা ০৮১-৭৭৪৭৯
সিআইডি জোন : নোয়াখালী ০৩২১-৬১৩৪৮
সিআইডি জোন : সিলেট ০৮২১-৭১৮২৭৯
সিআইডি জেলা অফিস : হবিগঞ্জ ০৮৩১-৫২২৫৭
সিআইডি জেলা অফিস : নওগাঁ ০৭৪১-৫২০৯৫ (অনু:)
সিআইডি জেলা অফিস : নাটোর ০৭৭১-৬২২৫৩ (অনু:)
সিআইডি জেলা অফিস : পাবনা ০৭৩১-৬৬১৩১ (অনু:)
সিআইডি জেলা অফিস : বগুড়া ০৫১-৬৩৪৩৮ (অনু:)
সিআইডি জোন : রংপুর ৮৫২১-৬৫৩২১ (অনু:)
সিআইডি জেলা অফিস : নীলফামারী ০৫৫১-৬১৩৫৪ (অনু:)
সিআইডি জোন : দিনাজপুর ০৫৩১-৬৩৩৯৫ (অনু:)
সিআইডি জেলা অফিস পঞ্চগড় ০৫৬২-৬১২৮৬ (অনু:)
সিআইডি জেলা অফিস: ঠাকুরগাঁও ০৫৬২-৫৩৫৮২ (অনু:)
সিআইডি জোন : খুলনা ০৪১-৭৮৬১৬০
সিআইডি জোন : যশোর ০৪২১-৬৪১৪৩
সিআইডি জোন : কুষ্টিয়া ০৭১-৬২৪২৬

স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রয়োজনীয় ফোন নম্বরসমূহ
এডিশনাল আইজিঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩০৮০২, মোবাইলঃ ০১৭১১-৫৩৮৩১৫, ০১৭১৩-৩৭৩০৫২
ডিআইজিঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৮৩১৬০৭৭, মোবাইলঃ ০১৭১৩-০১২২৮০, ০১৭১৩-৩৭৩০৫৩
এডিশনাল ডিআইজি (কমান্ড্যান্ট)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩৫০৫৭, মোবাইলঃ ০১৭১৩-০১৭২৯৯, ০১৭১৩-৩৭৩০৫৪
এসএস-১ (প্রশাসন ও অর্থ)ঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩২০০১, মোবাইলঃ ০১৭২০-০৮৯৭৫৮, ০১৭১৩-৩৭৩০৫৫
এসএস (ইমিগ্রেশন)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩৩৩৭২, মোবাইলঃ ০১৭১১-৫৩৮২২৩, ০১৭১৩-৩৭৩০৭১
এসএস-২ (রাজনৈতিক)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩৩৮৭, মোবাইলঃ ০১৭১২-০৫৮৪২৩, ০১৭১৩-৩৭৩০৭৪
এসএস (ছাত্র-শ্রম)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩৩৩৯৪, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৭৪
এসএস (এসসিও-কেপিআই)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩৩২২০, মোবাইলঃ ০১৭১৩-০১৩৬৯৩, ০১৭১৩-৩৭৩০৬০
এসএস (ভিআর-পিপি)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩৩২৯৪, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৫৬
এসএস (প্ররক্ষা)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩৩১৩৮, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৬৫
এসএস (টিএফআই/বিশেষ সেল)ঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩৭৮৯২, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১০১
এডি: এসপি (রাজনৈতিক/প্রশাসন)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৫৮৬৪৪, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৭৫
এডি: এসপি (কেপিআই) ভিআরপিপি, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১০২
এডি: এসপি (টিএফআই)/ভিআরঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৫৩০৬৫, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১০২
এডি: এসপি (ইমিগ্রেশন)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৮৯৬১৩৩৭ (বিমানবন্দর), মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৭২
এডি: এসপি (প্ররক্ষা) ১ঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩৭৬৩৪, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৬৬
এডি: এসপি (টেক:-প্ররক্ষা) ২ঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৫৬৯৮২, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১০৪
এডি: এসপি (এসসিও/রাজ)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৬১৭৩১, ৯৩৩৭৬৩৪, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৬১
সিস্টেম এনালিস্টঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩৭৯৫৯, মোবাইলঃ ০১৫৫২-৩৪০৪৬২
এসিস্ট্যান্ট সিস্টেম এনালিস্টঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩৭৯৬০, মোবাইলঃ ০১৫৫২-৩২৭১৫৬
কম্পিউটার প্রোগ্রামারঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩৪৫৭৩, মোবাইলঃ ০১৭১৫-০১০১৫৯
স্পেশাল এসিস্ট্যান্টঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৫১০৫৫, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৫৯
এএসপি (ডিসি)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩১১৮২, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৫৭
এএসপি (রাজনৈতিক – ১)ঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৫৮৬১১, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৭৬
এএসপি (রাজনৈতিক : ২)ঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৫৮৬১১, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৭৭
এএসপি (রাজনৈতিক : ৩)ঃ মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৭৮
এএসপি (টিএফআই)ঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১০৩
এএসপি (ভিআর/ছাত্র শ্রম)ঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৬১০৪৮, মোবাইলঃ ০১৭১১-৩৪৭৮৬২
এএসপি (এসসিও/ইমিগ্রেশন)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৫৮৩০৫, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৬২
এএসপি (এফআর)ঃ মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৬৩
এএসপি (টেকনিক্যাল)ঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৫৮৭০৯
এএসপি (ডেস্ক-প্ররক্ষা)ঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১০৫
ষ্টাফ অফিসার টু অতি: আইজিপিঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৫১০৫৫, ৯৩৫১৮২৮, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৫৯
এএসপি (প্ররক্ষা : ২)ঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯১৪৬৫৭১, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১০৬
এএসপি (প্ররক্ষা – যমুনা গার্ড)ঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১০৭
এএসপি (প্ররক্ষা –বঙ্গভবন গার্ড)ঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১০৮
এএসপি (প্ররক্ষা – রাষ্ট্রপতির বাসভবন)ঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১০৯
পুলিশ পরিদর্শক (প্ররক্ষা – ডেস্ক)ঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১১০
ওসি (সুইমিং টিম : ১) ঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১১২
ওসি (সু্‌ইমিং টিম : ২)ঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১১৩
ওসি (আর্চওয়ে : ১)ঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১১৪
ওসি (আর্চওয়ে : ২)ঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১১৫
ওসি (গানম্যান)ঃ মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৭০
এএসপি (পাসপোর্ট)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩৫৬৬০, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১১৬
ওসি (ইমিগ্রেশন)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৮৯১৪২২৬, ৮৯১১৪২২৫ , মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৭৩
এএসপি, এসবি ট্রেনিং স্কুলঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৫৯৫৩৮, ৮৩৫৯৫৮, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১১৭
এএসপি (ইমিগ্রেশন-প্রশাসন)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৫৮৩০৫, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১১৮
পুলিশ পরিদর্শক (প্রশাসন-এসসিও)ঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১১৯
পুলিশ পরিদর্শক (এফআর-এসসিও) ঃ , মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১২০
ওসি (ওয়াচ), এসসিওঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৮৩৫১৯৯১, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৬৪
প্রশাসনিক কর্মকর্তাঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৬১০৪৫, মোবাইলঃ ০১৭৩২-১৮৬০৫৭
বঙ্গভবনঃ মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৬৭
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, এসবি সেলঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯১৪৬৫৭১, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৬৮
এএসপি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ঃ মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৬৯
প্ররক্ষা (কন্ট্রোলরুম)ঃ, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১১১
এসবি কন্ট্রোলরুম ডিএমপি- ২১৬২, ২১৪৯, পিএবিএক্স ৮৩১৭১৪৭, ৮৩৫১৬৭৬, মোবাইলঃ ০১৭২০-৯৯৬৪০৩
কার্ডফোনঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৮৩১৭২৪১
সভাকক্ষঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৪২৫০২
এসএস সিটি এসবিঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩৩৭৭২, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৭৯
অতি: এসপি (রাজনৈতিক)ঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৫৮৭৪০, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৮০
অতি: এসবি (ছাত্র-শিক্ষক)ঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৬১০৬০, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৮১
এএসপি রাজ : ১ঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৬১০৫৯, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৮৩
এএসপি রাজ – ২ঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৬১০৫৮, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৮৫
এএসপি (সদর)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৬১০৬১, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৮২
এএসপি (ভিআর-পাসপোর্ট)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৮৩৫২০৩৭, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৯০
এএসপি (সচিবালয়)ঃটিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৬১০৫৮, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৮৬
এএসপি (শ্রম : ১)ঃ মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৮৭
এএসপি (ছাত্র-শিক্ষক)ঃ মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৮৯
ওসি (ওয়াচ) ৯৩৬২৪০৫, মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৩০৯১
পুলিশ পরিদর্শক, রমনা জোনঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১২১
পুলিশ পরিদর্শক, মতিঝিল জোনঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১২২
পুলিশ পরিদর্শক, লালবাগ জোনঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১২৩
পুলিশ পরিদর্শক, কোতোয়ালী জোন ঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৫৬৮৮৪৮, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১২৪
পুলিশ পরিদর্শক, সূত্রাপুর জোনঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১২৫
পুলিশ পরিদর্শক, ডেমরা জোনঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১২৬
পুলিশ পরিদর্শক, ধানমন্ডি জোনঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৬৭৫৩৮০, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১২৭
পুলিশ পরিদর্শক, সবুজবাগ জোনঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১২৮
পুলিশ পরিদর্শক, তেজগাঁও জোনঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১২৯
পুলিশ পরিদর্শক, গুলশান, বাড্ডা জোনঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৩০
পুলিশ পরিদর্শক, ক্যান্টনমেন্ট জোনঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৩১
পুলিশ পরিদর্শক, মোহাম্মদপুর জোনঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৩২
পুলিশ পরিদর্শক, মিরপুর জোনঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৩৩
পুলিশ পরিদর্শক, উত্তরা জোনঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৩৪
পুলিশ পরিদর্শক, পল্লবী জোনঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৩৫
পুলিশ পরিদর্শক, বায়তুল মোকাররম জোনঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৩৬
পুলিশ পরিদর্শক, হাইকোর্ট জোনঃ মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৩৭
পুলিশ পরিদর্শক, প্রেসক্লাব জোনঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৫৫৯২৯৯, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৩৮
পুলিশ পরিদর্শক, সচিবালয় জোনঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৭১৭৪৭৮২, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৩৯
পুলিশ পরিদর্শক, নারায়ণগঞ্জ জোনঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৭৫০০৩১, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৪০
পুলিশ পরিদর্শক, টঙ্গী জোনঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৮০০১১১, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৪১
পুলিশ পরিদর্শক, এয়ারপোর্ট জোন, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৪২
পুলিশ পরিদর্শক, বিশ্ববিদ্যালয় জোন, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৪৩
পুলিশ পরিদর্শক, কেরানীগঞ্জ জোন, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৪৪
পুলিশ পরিদর্শক, সাভার জোন, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৪৫
পুলিশ পরিদর্শক, কারাগার জোন, মোবাইলঃ ০১৭৩০-০২৪১৪৬
কন্ট্রোল রুমঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৩০৬৭০, ৯৩৫৭২২৪, ৯৩৬১০৫৩
ওয়ারলেস কন্ট্রোল রুমঃ টিএন্ডটি (দপ্তর)ঃ ৯৩৫৭১৩৯

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান কর্মকর্তাগণের সাথে যোগাযোগের জন্য ফোননম্বর
ডিআইজি, এপিবিএন, উত্তরা, ঢাকা, মোবাইল ফোনঃ ০১৭১৩-৩৭৪৪৫৮, অফিসঃ ০২-৮৯৩২০২২, ফ্যাক্সঃ ০২-৮৯১১১৪৮ পিএঃ ০২-৮৯১১১২০
অধিনায়ক, ১ এপিবিএন, উত্তরা, ঢাকা, মোবাইল ফোনঃ ০১৭১৩-৩৭৪৪৬৭, অফিসঃ ০২-৮৯৫৩০২৬১, ফ্যাক্সঃ ০২-৮৯৫৩০৬১
অধিনায়ক, ২ এপিবিএন, মুক্তাগাছা, মোবাইল ফোনঃ ০১৭১৩-৩৭৪৪৬৬, অফিসঃ ০৯০২৮-৭৫৩৪৪, ফ্যাক্সঃ ০৯০২৮-৭৫২০১
অধিনায়ক, ৩ এপিবিএন, খুলনা, মোবাইল ফোনঃ ০১৭১৩-৩৭৪৪৬২, অফিসঃ ০৪১-৭৮৫৪২২ ০৪১-৭৮৬১৬২, ফ্যাক্সঃ ০৪১৪-৭৮৫২৮৪
অধিনায়ক, ৪ এপিবিএন, বগুড়া, মোবাইল ফোনঃ ০১৭১৩-৩৭৪৪৬৩, অফিসঃ ০৫১-৬৭৯১০, ফ্যাক্সঃ ০৫১-৬০২৫০
অধিনায়ক, ৫ এপিবিএন, উত্তরা, ঢাকা, মোবাইল ফোনঃ ০১৭১৩-৩৭৪৪৬৮, অফিসঃ ০২-৮৯১১৩১১৪, ০২-৮৯১৪৩২৫, ফ্যাক্সঃ ৮৯১৪২৬৭
অধিনায়ক, ৬এপিবিএন, বরিশাল, মোবাইল ফোনঃ ০১৭১৩-৩৭৪৪৬৫ , অফিসঃ ০৪৩১-৭১৬৮২ , ফ্যাক্সঃ ০৪৩১-৭১৬৮৪
অধিনায়ক, ৭ এপিবিএন, উত্তরা, ঢাকা, মোবাইল ফোনঃ ০১৭১৩-৩৭৪৪৬৪, অফিসঃ ০২-৭৭৮৮২০০, ফ্যাক্সঃ ০২-৭৭৮৮২০০
অধিনায়ক, ৮ এপিবিএন, উত্তরা, ঢাকা, মোবাইল ফোনঃ ০১৭১৩-৩৭৪৪৯৫, অফিসঃ ০২-৮৯১১৩১৪ , ফ্যাক্সঃ ০২-৮৯২১১৯৭
অধিনায়ক, ৯ এপিবিএন, চট্টগ্রাম, মোবাইল ফোনঃ ০১৭১৩-৩৭৪৪১, অফিসঃ ০৩১-৬৮২০০১, ফ্যাক্সঃ ০৩১-৬৮৩০৭৬
অধিনায়ক, ১০এপিবিএন, মহালছড়ি, খাগড়াছড়ি , মোবাইল ফোনঃ ০১৭১৩-৩৭৪৪৬০, অফিসঃ ০৩৭১-৬১৮৫৫, ফ্যাক্সঃ ০৩৭১-৬১৮৫৫
অধিনায়ক, ১১ এপিবিএন, উত্তরা, ঢাকা, মোবাইল ফোনঃ ০১৭৩০-৩৩৬১২৪
কমান্ড্যান্ট, পিএসপিএস, বেতবুনিয়া, রাঙ্গামাটি, মোবাইল ফোনঃ ০১৫৫৬-৭৭৭৭৬১

বাংলাদেশ কারারক্ষী, প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর
আই জি প্রিজনঃ ৭৩০০৪৪৪, ফ্যাক্সঃ ৭৩০০৩৩৩
অতিঃ আই জি প্রিজনঃ ৭৩০০২২২
ডি আই জি প্রশাসনঃ ৭৩০০৪০০
ডি আই জি প্রিজনঃ ৭৩০০২৬৬
সিনিঃ সুপার ঢাকা-জেলঃ ৭৩৪৩৬৩৮
ঢাকা জেলারঃ ৭৩৪৩৬৩৭
গেইটঃ ৭৩৪৩৬৩৯

You must be logged in to post a comment Login