ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ডসমূহের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

প্রকাশ: May 11, 2015
DNCC home map

উত্তর: ওয়ার্ড নং ১
পুরাতন ওয়ার্ড নং ১
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ০১ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ০১ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উভয় পাশে মোট ১৪ টি সেক্টর নিয়ে উত্তরা মডেল টাউন গঠিত। এই মডেল টাউনটিই উত্তরা ০১ নম্বর ওয়ার্ড হিসেবে পরিচিত।
অবস্থান ও সীমানা:
এই ওয়ার্ডটি উত্তরা মডেল টাউনের অর্ন্তভূক্ত। এই ওয়ার্ডটির উত্তরে টঙ্গী ব্রীজ, পশ্চিমে হরিরামপুর ইউনিয়ন, পূর্বে দক্ষিণ খান ও দক্ষিণে এয়ারপোর্ট।
অন্তর্ভুক্ত এলাকাগুলো:
সত্তর দশকের শেষ দিকে উত্তরাকে মডেল টাউন কাম আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হয়। একে একে এই এলাকায় ১৪ টি সেক্টর গড়ে ওঠে। আবাসিক এলাকা হলেও এই ওয়ার্ডে বহু বাণিজ্যিক ভবন গড়ে উঠেছে। এই ওয়ার্ডের অর্ন্তভূক্ত রবীন্দ্র সরণী, জসীমউদ্দীন এভিনিউ, গরীবে নেওয়াজ সরণী ও গাউসুল আজম রোডে গড়ে উঠেছে একাধিক বাণিজ্যিক ভবন। এই ওয়ার্ডে রয়েছে খেলার মাঠ, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সহ বেসরকারী মেডিকেল কলেজ।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ২
পুরাতন ওয়ার্ড নং ২
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ০২ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ০২ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। বিশাল এলাকা নিয়ে গঠিত এই ওয়ার্ডে জড়িয়ে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের অনেক স্মৃতি । সেসময় এখানে বেশিরভাগ বিহারীর বসতি থাকায় কোন বাঙালিকে পেলেই তাকে মেরে ফেলা হতো। ওয়ার্ডের চাকুলী এলাকাটি একসময় ছিল জলাভূমি আর কৃষি জমি নিয়ে গঠিত এক গ্রাম। বর্তমানে এখানে গ্রামের কোন চিহ্ন নেই। মিরপুর-১২ নম্বর সেক্টর ও এর আশ পাশের এলাকা নিয়ে এই ওয়ার্ডটি গঠিত।

অবস্থান ও সীমানা:
এই ওয়ার্ডটি মিরপুর-১২ ও পল্লবী থানার অর্ন্তভূক্ত। এই ওয়ার্ডটির পূর্বে মানিকদি, পশ্চিমে পল্লবী প্রধান সড়ক, উত্তরে হারিরামপুর ইউনিয়ন ও দক্ষিণে সাংবাদিক প্লট। এই ওয়ার্ডটির আয়তন ১২ বর্গকিলোমিটার।

অর্ন্তভূক্ত এলাকাসমূহ:
এই ওয়ার্ডের অর্ন্তভূক্ত এলাকা হলো: মিরপুর ১২ (ব্লক-ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, ত,ধ,প), ডুইপনগর (উত্তর ও দক্ষিণ),চাকুলী,মিরপুর ডিওএইচএস,উত্তর কালসী,শহীদবাগ। এই ওয়ার্ডটিতে বিহারী ক্যাম্প আছে বেশ কয়েকটি। এর মধ্যে মেডিকেল ক্যাম্প, স্কুল ক্যাম্প, মোরাপাড়া ক্যাম্প, বগুড়া ক্যাম্প, ইরানি ক্যাম্প ও কুর্মিটোলা ক্যাম্প উল্লেখযোগ্য। এই ওয়ার্ডে বাস স্ট্যান্ড, স্কুল, কলেজ, বাণিজ্যিক ভবন ও খেলার মাঠ রয়েছে।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ৩
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৩
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ০৩ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ০৩ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এই ওয়ার্ডে একদিকে আছে জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতিপীঠ। ১৯৭১ সালের বিভিন্ন সময় এখানে কয়েক’শ বাঙালিকে হত্যা করে একটি কূপে ফেলে দেয়া হয়েছিল। মিরপুর ১০, মিরপুর ১১ নিয়ে এই ওয়ার্ডটি গঠিত।

অবস্থান ও অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
এই ওয়ার্ডটি পল্লবী ও মিরপুর থানার অর্ন্তভূক্ত। এই ওয়ার্ডটির অর্ন্তভূক্ত এলাকা হলো মিরপুর ১০,ব্লক-এ, বি,সি। মিরপুর ১১ ব্লক-সি,এভিনিউ ৫,মেহেদী বাগ,সবুজবাগ হুইপ। এ ওয়ার্ডে প্রায় ৩৫ হাজার বিহারী বসবাস করে। যুদ্ধের সময় আটককৃত অবাঙালিদের এ ওয়ার্ডে পুনর্বাসন দেয়া হয়। তারা উর্দুতে কথা বলে। পাশাপাশি প্রায় ১ হাজার ৫ শত বেনারসি শাড়ির কারিগর রয়েছে, যারা বেনারসি ব্যবসায়ের সাথে জড়িত। তারাও নিজস্ব ভাষায় হিন্দিতে কথা বলে থাকে। তবে বহু বছর থাকার ফলে এরা প্রায় সবাই বাংলায় কথা বলতে পারে। মিরপুরের এই বানারসের তাঁতিদের হাত ধরেই গড়ে উঠেছে মিরপুর বেনারসিপল্লি। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বেনারসি বাজার এটি। প্রায় ২০০ দোকান নিয়ে এ বেনারসী বাজার। এ ব্যবসার সাথে প্রায় ৪০ হাজার লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত।
মিরপুর ১০ ও ১১ নম্বর সেকশনে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বেশ কয়েকটি বিহারি ক্যাম্প। এসব ক্যাম্প ঘিরে গড়ে উঠেছে কাবাবের দোকান। বিকেল হলেই জমে ওঠে ১০ থেকে ১১ নম্বর সেকশন পর্যন্ত হারুন আল রশীদ মোল্লা সড়কের দুপাশের কাবাব-পরোটার দোকানগুলো। তবে খ্যাতিতে এগুলোকে ছাপিয়ে গেছে বেনারসিপল্লীর শওকতের কাবাবঘরের কাবাব। শুধু মিরপুরবাসীই নয় এখানে কাবার থেকে আসে দূর-দূরান্তের মানুষজন।
উল্লেখযোগ্যসংখ্যক গার্মেন্টস কারখানা ও বিভিন্ন ওষুধ শিল্প প্রতিষ্ঠানের গুদাম ও কারখানা এবং প্রিন্টিং ফ্যাক্টরী গড়ে উঠেছে এই ওয়ার্ডে। খেলার জন্য আছে ২টি বিশাল খেলার মাঠ। তবে সেনপাড়া পর্বতা স্কুল মাঠটি বছরের অধিকাংশ সময় জুড়ে মেলা বসার কারণে এখানে এখন আর খেলাধুলা হয় না বললেই চলে। একসময় নানা গাছগাছালিতে ভরপুর ছিল এই ওয়ার্ড। এখনো নারিকেল, সুপারি, আম, জাম, কাঁঠাল, মেহগনি, নিমসহ প্রায় সব ধরনের গাছ রয়েছে এলাকায়।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ৪
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৪
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ০৪ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ০৪ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল।

অবস্থান ও অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
ঐতিহ্যবাহী মিরপুরের সেকশন ১৩, ১৪, পশ্চিম বাইশটেকি, পূর্ব বাইশটেকি, ১৩নং টিনশেড কলোনি, ১৪-এর বিওডি টিনশেড কলোনি এবং ১৪নং স্টাফ কোয়ার্টার নিয়ে গঠিত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডটি। এ ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ৫০ হাজার ৫৫৬ জন। তাদের মধ্যে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সংখ্যাই বেশি।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ৫
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৫
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৫ নাম্বার ওয়ার্ডটি পূর্বেও ছিল ৫ নাম্বার ওয়ার্ড। পল্লবী থানার অর্ন্তভূক্ত এই ওয়ার্ডটি মিরপুর ১১-এ, ১১-বি, ১১-ডি, ১১-ই, ১১-এফ নিয়ে গঠিত। এই ওয়ার্ডটিতে আবাসিক এলাকার পাশাপাশি বাণিজ্যিক ভবন রয়েছে।

সীমানা:
পূর্বে-বাউনিয়া বেড়িবাঁধ, পশ্চিমে-মিরপুর ১১ ব্লক বি, উত্তরে-মিরপুর ১১ ব্লক ডি, দক্ষিণে- পলাশ নগর।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা ও অন্যান্য বিষয়:
রাজধানীর মিরপুর ১১-এ, ১১-বি, ১১-ডি, ১১-ই, ১১-এফ (সাংবাদিক আবাসিক এলাকা) পলাশ নগর, কাউলিয়া বাঁধ, টিনসেড কলোনি, লালমাটিয়া, বেড়িবাঁধ, আদর্শনগর এই ওয়ার্ডের অর্ন্তভূক্ত। বেনারসি পল্লী খ্যাত এই ওয়ার্ডে মিরপুর ১০, ১১, ১২ এই ৩টি সেকশনে প্রায় ৩৫০টি বেনারসির শো’রুম রয়েছে। এই ওয়ার্ডের অন্যতম ঐতিহ্য হিসেবেই টিকে আছে বেনারসি শিল্প। মিরপুরের অন্যান্য ওয়ার্ডের মতো এই ওয়ার্ডেও আছে একাধিক বিহারী ক্যাম্প। সংখ্যায় প্রায় ৮-১০টি। এই ওয়ার্ডে আবাসিক এলাকা, খেলার মাঠ ও স্কুল-কলেজ রয়েছে।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ৬
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৬
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৬ নাম্বার ওয়ার্ডটি পূর্বেও ছিল ৬ নাম্বার ওয়ার্ড। পল্লবী থানার অর্ন্তভূক্ত এই ওয়ার্ডটি মিরপুর ১০ ও ১১ এর কিছু অংশ নিয়ে এই ওয়ার্ডটি গঠিত।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা ও অন্যান্য বিষয়:
রাজধানীর মিরপুর ১০ ও ১১ এর কিছু অংশ নিয়ে এই ওয়ার্ডটি গঠিত। এই ওয়ার্ডটিতে খেলার মাঠ, স্কুল, কলেজ, সিনেমা হল রয়েছে। এই ওয়ার্ডটি ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বরের পরবর্তি সময়েও পাকিস্তানীদের দখলে ছিল। ১৯৭১ সালের ৩১ জানুয়ারী এই ওয়ার্ডটি শত্রু মুক্ত হয়। এই ওয়ার্ডটিতে যে সব শহীদ শাহাদত বরণ করেছেন তাদেরকে পল্লবী থানা সংলগ্ন সমাহিত করা হয়।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ৭
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৭
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৭ নাম্বার ওয়ার্ডটি পূর্বেও ছিল ৭ নাম্বার ওয়ার্ড। রাজধানী ঢাকার মিরপুরের এই ওয়ার্ডকে অনেকে বলেন স্পোর্টস জোন। কারণ এই ওয়ার্ডে একই সাথে আছে শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ইনডোর স্টেডিয়াম, জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্স ও ক্রিকেট একাডেমী। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভ্যানু শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলা থাকলে পুরো মিরপুরে তার প্রভাব পরে। উৎসবের আমেজে মেতে উঠে পুরো ওয়ার্ড।

অবস্থান ও সীমানা:
মিরপু-২ ও মিরপুর-৬ এ এই ওয়ার্ডটি অবস্থিত। এই ওয়ার্ডটির পূর্বে মিরপুর-১০,পশ্চিমে চিড়িয়াখানা, উত্তরে বোটানিকাল গার্ডেন, দক্ষিণে হার্ট ফাউণ্ডেশন হাসপাতাল। এই ওয়ার্ডের আয়তন প্রায় ২ কিলোমিটার।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা ও অন্যান্য:
মিরপুর-২,রূপনগর আবাসিক এলাকা, মিরপুর-৬ (এ ও বি ব্লক), রাইনখোলা, রূপালি হাউজিং এই ওয়ার্ড এর অর্ন্তভূক্ত। আয়তনে বেশি বড় না হলেও এই ওয়ার্ডের জনসংখ্যা অনেক বেশি। এই ওয়ার্ড এ আছে বেশকিছু বস্তি ও কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি। ওয়ার্ডের শিয়ালবাড়ি এলাকায় দেখা মিলে বেশ কয়েকটি বস্তি।
নানাবিধ সমস্যা থাকলেও ওয়ার্ডের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে পর্যাপ্ত। ওয়ার্ডের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় (ব্রাঞ্চ-১), ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা কমার্স কলেজ, মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, বাংলাদেশ জার্মান কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উল্লেখযোগ্য ।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ৮
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৮
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ০৮ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ০৮ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। মিরপুর-১ এর আশ পাশের এলাকা নিয়ে এই ওয়ার্ডটি গঠিত।

অবস্থান ও সীমানা:
মিরপুর-১ এর কয়েকটি ব্লক নিয়ে এই ওয়ার্ডটি অবস্থিত। এই ওয়ার্ডটির উত্তরে-চটবাড়ি, দক্ষিণে-মিরপুর ১ নং বাসস্ট্যান্ড, পূর্বে চিড়িয়াখানা, পশ্চিমে বেড়িবাধ।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
মিরপুর ১নং ব্লক-ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ঔ নবাবেরবাগ, চটবাড়ি, উত্তর বিশিল, শাহআলী নগর, বিসিআইসি, বিআইএসএফ, কুমির শাহ মাজার, কামাল হাউজিং, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, সারেংবাড়ি,বক্সনগর,গুদারঘাট,তুরাগসিটি।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ৯
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৯
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ০৯ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ০৯ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। মিরপুর ও গাবতলীর বিভিন্ন জায়গা নিয়ে এই ওয়ার্ডটি অবস্থিত।

সীমানা:
এই ওয়ার্ডটির উত্তরে দিয়াবাড়ী, দক্ষিণ দীপনগর পূর্বে-আনন্দনগর, পশ্চিমে তুরাগ নদী।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা সমূহ:
বাগবাড়ী, বর্ধনবাড়ী, জাহানাবাদ, দিয়াবাড়ী, কোটবাড়ী, আনন্দনগর, জহুরাবাদ, বাজারপাড়া, হরিরামপুর, গোলারটেক ও দীপনগর।

যে জন্য বিখ্যাত:
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৯ নাম্বার ওয়ার্ডটি পূর্বেও ছিল ৯ নাম্বার ওয়ার্ড। রাজধানী ঢাকার ৯ নাম্বার ওয়ার্ডটি দুটি কারণে সকল মানুষের কাছে বেশি পরিচিত। এর একটি হচ্ছে গাবতলী বাস টার্মিনাল আর অন্যটি গাবতলী পশুর হাট। রাজাধানীর অন্যতম প্রধান এই বাস টার্মিনাল উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গের মানুষের ঢাকায় প্রবেশের প্রধান দ্বার। প্রতিদিন এই টার্মিনাল থেকে নগরে প্রবেশ করে ও বের হয় শত শত যাত্রীবাহী বাস। আর দেশের বৃহত্তর গবাদি পশুর হাট হিসেবে খ্যাত গাবতলী পশুর হাট সারা বছর ব্যস্ত থাকলেও কোরবানীর সময় এর আসল রূপ পাওয়া যায়। সে সময় প্রায় সারাদেশ থেকে গরু আসে এই হাটে। ঢাকা ও পাশ্ববর্তী এলাকার লোকজন কোরবানীর পশু কিনতে এই হাটে জড়ো হয়।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ১০
পুরাতন ওয়ার্ড নং ১০
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ১০ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। মিরপুর ও গাবতলীর বিভিন্ন জায়গা নিয়ে এই ওয়ার্ডটি অবস্থিত। দারুসসালাম থানার অর্ন্তভূক্ত এই ওয়ার্ডটির আয়তন প্রায় ৬ বর্গ কিলোমিটার।

সীমানা :
পূর্বে-কল্যাণপুর (খাজা টাওয়ার) পশ্চিমে-কল্যাণপুর খাল (খ) উত্তরে-সিন্নিরটেক স্লুইজগেট দক্ষিণে-গৈদারটেক।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
ইস্টার্ন হাউজিং (১ ও ২),খালেক আবাসিক এলাকা, নিউ রেডিও কলোনী, এইচ. বি. আর.আই স্টাফ কোয়ার্টার, দারুস সালাম, গৈদারটেক, গাবতলী জমিদার বাড়ি, প্রথম কলোনী, দ্বিতীয় কলোনী, তৃতীয় কলোনী, বসুপাড়া, লালকুঠি, সিন্নিরটেক, বেরিবাঁধ, শাহ আলী মাজার রোড (আংশিক) এই ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত।

স্থান ও স্থাপনা:
• শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিস্তম্ভ
• বুদ্ধিজীবী কবরস্থান
• গাবতলী জমিদার বাড়ী
• টেকনিক্যাল কলেজ

উত্তর: ওয়ার্ড নং ১১
পুরাতন ওয়ার্ড নং ১১
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ১১ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। মিরপুর, পাইকপাড়া, কল্যাণপুর এলাকার বিভিন্ন জায়গা নিয়ে এই ওয়ার্ডটি অবস্থিত। এই ওয়ার্ডটি মিরপুর থানার অর্ন্তভূক্ত।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
কল্যাণপুর, নাভানা হাউজিং, কৃষ্ণচূড়া, রাজিয়া টাওয়ার, লিগ্যাল হাইটস, দক্ষিণ পাইকপাড়া, মধ্য পাইকপাড়া, শাহ সাহেব নগর, সায়েন্স ল্যাবরেটরী কোয়ার্টার, সড়ক ও জনপদ স্টাফ কোয়ার্টার, কল্যাণপুর হাউজিং এস্টেট, ডি টাইপ সরকারি কলোনী এই ওয়ার্ডের অর্ন্তভূক্ত।

অন্যান্য বিষয়:
এই ওয়ার্ডটির সাথে মহান মুক্তিযুদ্ধের সুনিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। রয়েছে গণহত্যার ইতিহাস। আবিস্কৃত হয়েছে বধ্যভূমি। জানা যায়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় বিহারিরা এই ওয়ার্ডের কল্যাণপুরের বিভিন্ন বাড়িতে নিরীহ বাঙালিদের ওপর হামলা চালায়। মুক্তিযোদ্ধা ও সমর্থক সন্দেহ করে অনেককে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে নির্জনে ছুরি, তলোয়ার দিয়ে হত্যা করত বিহারিরা। কল্যাণপুরের ১২ নম্বর রোডের রিতা ভিলায় একই পরিবারের ১৩ জনকে হত্যাসহ বহু বাড়ি এই স্বাক্ষ্য বহন করে চলেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় বিহারিদের হাতে নিহতদের স্মরণে শহীদ মিনার রোড এবং অনুশীলন সংসদ মাঠে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ১২
পুরাতন ওয়ার্ড নং ১২
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ১২ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। মিরপুর ও দারুসসালাম থানার অর্ন্তভূক্ত এই ওয়ার্ডে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এই ওয়ার্ডটির আয়তন ৩.৫০ বর্গ কি:মি।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
বাংলা কলেজ বিএডিসি স্টাফ কোয়াটার পিডব্লিউডি স্টাফ কোয়ার্টার, আনসার ক্যাম্প, টোলার বাগ, শিক্ষাবোর্ড ষ্টাফ কোয়ার্টার, দক্ষিণ বিশিল, আহমেদ নগর পাইকপাড়া, শাহ আলী বাগ, জনতা হাউজিং এবং কলওয়ালা পাড়া।

সীমানা :
পূর্বে-পরীবাগ, পশ্চিমে- লালকুঠী, উত্তরে-মধ্যপাইকপাড়া, দক্ষিণে-মনিপুর।
উল্লেখযোগ্য বিষয়
• গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী
• কল্যানপুর খাল
• বিপণী বিতান
• বেশ কয়েকটি স্কুল ও কলেজ এই ওয়ার্ডে রয়েছে।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ১৩
পুরাতন ওয়ার্ড নং ১৩
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ১৩ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। এই ওয়ার্ডটির আয়তন ১.৮১৪ বর্গ কি:মি।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা
মণিপুর ও পরিবাগ এলাকা এই থানার অন্তর্ভুক্ত ।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ১৪
পুরাতন ওয়ার্ড নং ১৪
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। মিরপুর ও কাফরুল থানার অর্ন্তভূক্ত এই ওয়ার্ডের আয়তন ৬ কিলোমিটার।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
পূর্ব ও পশ্চিম সেনপাড়া পর্বতা, পূর্ব ও পশ্চিম কাজীপাড়া, পূর্ব ও পশ্চিম শেওড়াপাড়া, পশ্চিম কাফরুল।

সীমানা:
উত্তরে মিরপুর ১০নং গোলচত্বরও, দক্ষিণ-পশ্চিম কাফরুল, পূর্বে -ইব্রাহিমপুর, পশ্চিমে-পীরেরবাগ।

উল্লেখযোগ্য বিষয়:
• গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী
• কল্যানপুর খাল
• বিপণী বিতান
• বেশ কয়েকটি স্কুল ও কলেজ রয়েছে।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ১৫
পুরাতন ওয়ার্ড নং ১৫
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ১৫ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। কাফরুল ও পল্লবী থানার অর্ন্তভূক্ত এই ওয়ার্ডটির আয়তন ২.৫ কিলোমিটার।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
লালাসরাই, ধামালকোট, ভাষাণটেক, মাটিকাটা, মানিকদি, বালুঘাট, বাইগারটেক, আলব্দীরটেক, বরাণটেক।

উল্লেখযোগ্য বিষয়:
• গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী
• বেশ কয়েকটি স্কুল ও কলেজ
• হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ
• ১০০ শয্যার হাসপাতাল এই ওয়ার্ডে রয়েছে।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ১৬
পুরাতন ওয়ার্ড নং ১৬
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ১৬ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। কাফরুল থানার অর্ন্তভূক্ত এই ওয়ার্ডটির আয়তন ২.৫ কিলোমিটার।

সীমানা:
উত্তরে ৪ নং ওয়ার্ড, দক্ষিণে পুরাতন বিমানবন্দর, পূর্বে ঢাকা সেনানিবাস, পশ্চিমে ১৩ ও ১৪ নং ওয়ার্ড।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
কাফরুল, ইব্রাহিমপুর, শেওড়াপাড়া, কাজী পাড়া, পুরানো বিমান বন্দর এলাকা।
উল্লেখযোগ্য বিষয়
• বেশ কয়েকটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী
• পুরানো বিমান বন্দর
• বেশ কয়েকটি স্কুল ও কলেজ এই ওয়ার্ডে রয়েছে।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ১৭
পুরাতন ওয়ার্ড নং ১৭
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ১৭ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। উত্তরা, নতুন বাজার ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকা নিয়ে এই ওয়ার্ডটি গঠিত।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
উত্তরা, নতুন বাজার ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকা।

আয়তন:
২.৫০ বর্গকিলোমিটার।

উল্লেখযোগ্য বিষয়:
• বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা
• নিকুঞ্জ
• বিশ্ববিদ্যালয়
• বিমান বন্দর
• স্কুল ও কলেজ
• পত্রিকা অফিসের কার্যালয়।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ১৮
পুরাতন ওয়ার্ড নং ১৮
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ১৮ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। বারিধারা, শাহজাদপুর এলাকা নিয়ে এই ওয়ার্ডটি গঠিত।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
কালাচাঁদপুর, নর্দ্দা, বারিধারা, শাহজাদপুর, ক, খ, গ ব্লক নিয়ে এই ওয়ার্ড গঠিত।

সীমানা:
উত্তরে জোয়ার সাহারা ও বারিধারা ডিওএইচএস, দক্ষিণে উত্তর বাড্ডা, পূর্বে জগন্নাথপুর, জে ব্লক ও খিলবাড়ির টেক (ভাটার ইউনিয়ন) পশ্চিমে গুলশান লেক।

আয়তন:
৩.৫০ বর্গকিলোমিটার।

উল্লেখযোগ্য বিষয়:
বিভিন্ন দেশের দূতাবাস এই এলাকাতে অবস্থিত।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ১৯
পুরাতন ওয়ার্ড নং ১৯
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ১৯ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। এই ওয়ার্ডটি রাজধানীর অভিজাত ওয়ার্ড হিসেবে সুপরিচিত।

সীমানা:
উত্তরে-নৌবাহিনী সদর দপ্তর এর প্রাচীর, দক্ষিণে-নিকেতন ও মহাখালী লেক, পূর্বে-গুলশান লেক, পশ্চিমে-রেললাইন।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা
গুলশান ১ ও ২, নিকেতন (আংশিক), বনানী, কাকলী, চেয়ারম্যান বাড়ি, কড়াইল। (গুলশান-বারিধারা ব্রিজ থেকে গুলশান শুটিং ক্লাব, চেয়ারম্যান বাড়ি, বনানী, সমগ্র কড়াইল ও কড়াইল বস্তি) এই ওয়ার্ডের অর্ন্তভূক্ত।

আয়তন:
২৫ বর্গকিলোমিটার প্রায়।

উল্লেখযোগ্য বিষয়:
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৯ নাম্বার ওয়ার্ডটি রাজধানীর অভিজাত ওয়ার্ডের মধ্যে অন্যতম। রাজধানীর বিশাল আয়তনের এই ওয়ার্ডে আছে দেশের বহু ভিআইপির আবাসস্থল। নামে আবাসিক এলাকা হলেও দিন দিনই এটি বাণিজ্যিক এলাকায় পরিণত হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পাঁচ তারকা হোটেল, মার্কেট এবং অফিসের সংখ্যা বাড়ছে এই ওয়ার্ডে।
এই ওয়ার্ডের অন্যতম বৈশিষ্ট্য এখানকার গলিতে গলিতে বিশ্ববিদ্যালয়। বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ জুড়েই বহুতল সব ভবনের সমাহার। এখানে এক রাস্তার ধারেই রয়েছে অনেকগুলো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে পরপর রয়েছে নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এআইইউবি), সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি, প্রাইম ইউনিভার্সিটি, এশিয়া ইউনিভার্সিটি, সিটি ইউনিভার্সিটি, প্রেসিডেন্সি ও রয়েল ইউনিভার্সিটি। অন্য পাশে রয়েছে এআইইউবি, নর্দার্নসহ আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ২০
পুরাতন ওয়ার্ড নং ২০
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ২০ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ২০ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। এই ওয়ার্ডটি রাজধানীর অভিজাত ওয়ার্ড হিসেবে সুপরিচিত। মহাখালী, গুলশান ও এর আশ পাশের এলাকা নিয়ে এই ওয়ার্ডটি গঠিত। গুলশান থানার অর্ন্তভূক্ত এই ওয়ার্ডের আয়তন ২ বর্গ কিলোমিটার।

সীমানা:
পূর্বে নিকেতন আবাসিক এলাকা,পশ্চিমে আমতলী, উত্তরে -বনানী ২ নং রোড, দক্ষিণে-রসুলবাগ।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
পুরো মহাখালী, গুলশান-১ এর কিছু অংশ, বনানীর কিছু অংশ ও নিকেতন আবাসিক এলাকা। (মহাখালী ‘ক’ ব্লক, ‘গ’ ব্লক, ‘ছ’ ব্লক, ‘জ’ ব্লক, বসুলবাগ, সাততলা বস্তি, টিঅ্যান্ডটি ও নিকেতন) এই ওয়ার্ডের অর্ন্তভূক্ত।

উল্লেখযোগ্য বিষয়:
• এই ওয়ার্ডটি আবাসিক এলাকার অর্ন্তভূক্ত
• মহাখালী কলেরা হাসপাতাল
• একাধিক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়
• বেশ কয়েকটি বেসরকারী হাসপাতাল এই ওয়ার্ডে রয়েছে।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ২১
পুরাতন ওয়ার্ড নং ২১
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ২১ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল।
মেরুল ও বাড্ডা এলাকা নিয়ে এই ওয়ার্ডটি গঠিত।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
মেরুল (পূর্ব ও পশ্চিম), দক্ষিণ বাড্ডা, উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা ও গোপীপাড়া।

সীমানা:
পশ্চিমে গুলশান লেক, দক্ষিণে রামপুরা ব্রিজ, পূর্বে প্রগতি সরণী, উত্তরে গোপীপাড়া।

আয়তন:
৩ কিলোমিটার।

উল্লেখযোগ্য বিষয়:
• বেসরকারী হাসপাতাল
• ফুটবল খেলার মাঠ
• পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র
• বৌদ্ধ বিহার
• পোশাক কারখানা

উত্তর: ওয়ার্ড নং ২২
পুরাতন ওয়ার্ড নং ২২
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ২২ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল।রামপুরা ও বনশ্রী এলাকা নিয়ে এই ওয়ার্ডটি গঠিত।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
পূর্ব রামপুরা, পশ্চিম রামপুরা, উলন ওমর আলী লেন, নাসিরের টেক, বাগিচার টেক, দাসপাড়া, মহানগর আবাসিক এলাকা, বনশ্রী আবাসিক এলাকার অংশ ও মোল্লাপাড়া এই ওয়ার্ডের অর্ন্তভূক্ত।

মৌজা:
উলন ও মেরাদিয়া।

আয়তন:
২৫ বর্গ কিলোমিটার (আনুমানিক)।

থানা:
রামপুরা।

উল্লেখযোগ্য বিষয়:
• বেসরকারী হাসপাতাল
• ফুটবল খেলার মাঠ
• পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র

উত্তর: ওয়ার্ড নং ২৩
পুরাতন ওয়ার্ড নং ২৩
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। উলন ও খিলগাঁও এলাকা নিয়ে এই ওয়ার্ডটি গঠিত।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
মালিবাগ চৌধুরীপাড়া, খিলগাঁও চৌধুরীপাড়া, মালিবাগ বাজার রোড, খিলগাঁও পুর্বহাজীপাড়া, খিলগাঁও তালতলা, মৌলভিরটেক, বিয়াজবাগ, পশ্চিম চৌধুরীপাড়া (আংশিক) এই ওয়ার্ডের অর্ন্তভূক্ত।

মৌজা:
উলন ও খিলগাঁও।

থানা:
রামপুরা, রমনা (আংশিক)।

উল্লেখযোগ্য বিষয়:
• বেসরকারী হাসপাতাল
• ফুটবল খেলার মাঠ
• পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র

উত্তর: ওয়ার্ড নং ২৩
পুরাতন ওয়ার্ড নং ২৩
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডটি আগেও ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। উলন ও খিলগাঁও এলাকা নিয়ে এই ওয়ার্ডটি গঠিত।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
মালিবাগ চৌধুরীপাড়া, খিলগাঁও চৌধুরীপাড়া, মালিবাগ বাজার রোড, খিলগাঁও পুর্বহাজীপাড়া, খিলগাঁও তালতলা, মৌলভিরটেক, বিয়াজবাগ, পশ্চিম চৌধুরীপাড়া (আংশিক) এই ওয়ার্ডের অর্ন্তভূক্ত।

মৌজা:
উলন ও খিলগাঁও।

থানা:
রামপুরা, রমনা (আংশিক)।

উল্লেখযোগ্য বিষয়:
• বেসরকারী হাসপাতাল
• ফুটবল খেলার মাঠ
• পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র

উত্তর: ওয়ার্ড নং ২৪
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৩৭
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডটি আগে ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। খিলগাঁও ও ঝিলপাড়ার আশ-পাশের এলাকা নিয়ে এই ওয়ার্ডটি গঠিত। এই ওয়ার্ডটির আয়তন ৬ বর্গকিলোমিটার।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
খিলগাঁও ব্লক-সি ও এ তিলপাপাড়া, তারাবাগ, সিপাহীবাগ, ইমামবাগ, ঝিলপাড়া।

সীমানা:
পূর্বে গোড়ান, পশ্চিমে মালিবাগ, উত্তরে তালতলা চৌধুরীপাড়া, দক্ষিণে বাসাবো।

মৌজা:
খিলগাঁও।

আয়তন:
৬ বর্গকিলোমিটার প্রায়।

উল্লেখযোগ্য বিষয়:
• কমলাপুর রেলস্টেশন
• ফুটবল খেলার মাঠ
• বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল এই ওয়ার্ডে রয়েছে।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ২৫
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৩৮
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডটি আগে ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। এই ওয়ার্ডটির আয়তন ২ বর্গকিলোমিটার। এই ওয়ার্ডটিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অবস্থিত।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
নাখালপাড়া (পূর্ব ও পশ্চিম), আরজতপাড়া, শাহিনবাগ ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের আংশিক।

সীমানা:
পূর্বে-মেট্রোপলিটন হাসপাতাল, পশ্চিমে-বিজয় সরণী, দক্ষিণ-তেজগাঁও আলকাতরার ফ্যাক্টরী, উত্তরে-হাজারীবাড়ি রোড।

উল্লেখযোগ্য বিষয়:
• মহাখালী ফ্লাইওভার
• প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও প্রশাসনিক প্রধানের কার্যালয়
• বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল এই ওয়ার্ডে রয়েছে।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ২৬
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৩৯
নব-নির্ধারিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডটি আগে ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড নামে পরিচিত ছিল। এই ওয়ার্ডটির আয়তন ১.৩৭৮ বর্গকিলোমিটার।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
কারওয়ান বাজার,তেজতুরিপাড়া, তেজকুনিপাড়া এই ওয়ার্ড এর অন্তর্ভুক্ত ।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ২৭
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৪০
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নাম্বার ওয়ার্ডটি পূর্বে ছিল ৪০ নাম্বার ওয়ার্ড। এটি রাজধানী ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডে রয়েছে বেশ কয়েকটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এর অন্যতম হলো জাতীয় সংসদ ভবন।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
পূর্ব রাজাবাজার, পশ্চিম রাজাবাজার, গ্রীনরোড, ফার্মগেট, ইন্দিরা রোড, মনিপুরীপাড়া, শেরেবাংলা নগর ও সংসদ ভবন এলাকা।

সীমানা:
পূর্ব-তেজতুরীবাজার/নাখালপাড়া, পশ্চিমে সোবাহানবাগ, উত্তরে কলাবাগান, দক্ষিণে এলজিইডি অফিস আগারগাঁও।

আয়তন :
১৫৮৬ বর্গ কিলোমিটার।

উল্লেখযোগ্য স্থাপনা ও অন্যান্য:
• জাতীয় সংসদ ভবন
• বেসরকারী হাসপাতাল
• থিয়েটার হল
• সামরিক জাদুঘর
• নভোথিয়েটার
• বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্র
• বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল এই ওয়ার্ডে রয়েছে।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ২৮
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৪১
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৮ নাম্বার ওয়ার্ডটি পূর্বে ছিল ৪১ নাম্বার ওয়ার্ড। এটি রাজধানী ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সরকারী প্রতিষ্ঠান।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
শ্যামলী,পশ্চিম আগারগাঁও, তালতলা কলোনী, শেরেবাংলা নগর (অর্ধেক)।

সীমানা:
পূর্বে বেগম রোকেয়া সরণী, পশ্চিমে মিরপুর রোড, উত্তরে কল্যাণপুর খাল, দক্ষিণে মাহবুব মোর্শেদ সরণী।

আয়তন:
২ বর্গ কিলোমিটার (প্রায়)।

উল্লেখযোগ্য স্থাপনা ও অন্যান্য:
সরকারি ও বেসরকারি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় এই ওয়ার্ডটিকে পরিচিত করে তুলেছে। এসকল প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সার্ক মেট্রলজিক্যাল রিসোর্স সেন্টার, এলজিইডি ভবন, পাসপোর্ট অফিস, আবহাওয়া অধিদপ্তর, পরিবেশ ভবন, সমবায় অধিদপ্তর, সমবায় ভবন, প্রত্নতত্ত্ব ভবন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান কার্যালয়, পরমাণু ভবন, বাংলাদেশ বেতার, পরিসংখ্যান ব্যুরো, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, ইসলামিক ফাউণ্ডেশন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদর দপ্তর (নির্মাণাধীন) প্রস্তাবিত জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, ঢাকা-এর কার্যালয় ইত্যাদি।
ওয়ার্ডের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশের একমাত্র জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর। প্রতিদিন বিজ্ঞানমনস্ক শিক্ষার্থী সহ বহু দর্শনার্থীর আগমন ঘটে এই জাদুঘরে। ওয়ার্ডের আরেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এসওএস শিশুপল্লী। প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিকভাবে খুবই নামকরা।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ২৯
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৪২
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৯ নাম্বার ওয়ার্ডটি পূর্বে ছিল ৪২ নাম্বার ওয়ার্ড । রাজধানীর এই ওয়ার্ডটিকে অন্যরকম এক পরিচয় দিয়েছে ওয়ার্ডের হস্তশিল্পের কারখানাগুলো। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মেয়েদের হাতের চুড়ি,শাড়িতে কারচুপির কাজ,এমব্রয়ডারি,হাজার বুটিকের কাজ ইত্যাদি। এই ওয়ার্ডটির আয়তন ১.০২৯ বর্গকিলোমিটার। এই ওয়ার্ডটি মোহাম্মদপুর থানার অর্ন্তভূক্ত।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
তাজমহল রোড, আজিজ মহল্লা, টিক্কাপাড়া, বিজলী মহল্লা, জহুরী মহল্লা, পিসিকালচার (আংশিক)।

সীমানা:
পূর্বে-জেনেভা ক্যাম্প, পশ্চিমে-রিং রোড, উত্তরে-জহুরী মহল্লা, দক্ষিণে-শাজাহান রোড।

যে সব বিষয় রয়েছে:
• বিভিন্ন পোশাকের দোকান
• জাপান গার্ডেন
• কৃষি অধিদপ্তর
• গণপাঠাগার

উত্তর: ওয়ার্ড নং ৩০
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৪৩
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩০ নাম্বার ওয়ার্ডটি পূর্বে ছিল ৪৩ নাম্বার ওয়ার্ড। আদাবর থানার অর্ন্তভূক্ত এই ওয়ার্ডের ৪.৫০ বর্গকিলোমিটার।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
হোলি লেন, চৌধুরী গলি লেন, গোল্ডেন স্ট্রিট, মোহনপুর, আদর্শ ছায়ানীড়, হোসনাবাদ স্ট্রিট, উত্তর আদাবর। (আদাবর, বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটি, পিসিকালচার হাউজিং, মনসুরা হাউজিং, সুনিবিড় আবাসিক এলাকা, ঢাকা হাউজিং)।

সীমানা:
পূর্বে শ্যামলী রিং রোড, পশ্চিমে বুড়িগঙ্গা নদী, উত্তরে মিরপুর, দক্ষিণে মোহাম্মাদী হাউজিং।

আয়তন:
৪.৫০ বর্গকিলোমিটার।
যে সব বিষয় রয়েছে
• বেশ কয়েকটি হাউজিং প্রতিষ্ঠান
• শিক্ষার্থীদের পাঠাগার
• শরীর চর্চা কেন্দ্র
• বেশ কয়েকটি স্কুল ও কলেজ
• বেশ কয়েকটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়

উত্তর: ওয়ার্ড নং ৩১
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৪৪
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩১ নাম্বার ওয়ার্ডটি পূর্বে ছিল ৪৪ নাম্বার ওয়ার্ড। মোহাম্মদপুর থানার অর্ন্তভূক্ত এই ওয়ার্ডের লোক সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
নূরজাহান রোড,সলিমুল্লাহ রোড, রাজিয়া সুলতানা রোড, তাজমহল রোড (আংশিক), শের শাহ্ সুরী রোড, আসাদ এভিনিউ (আংশিক), জাকির হোসেন রোড, কাজী নজরুল ইসলাম রোড।

সীমানা:
পূর্বে-ইকবাল রোড, পশ্চিমে-মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যাণ্ড, উত্তরে-তাজমহল রোড, দক্ষিণে-লালমাটিয়া।

যে সব বিষয় রয়েছে:
• শিয়া মসজিদ
• পাঠাগার
• শরীর চর্চা কেন্দ্র
• বেশ কয়েকটি স্কুল ও কলেজ

উত্তর: ওয়ার্ড নং ৩২
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৪৫
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩২ নাম্বার ওয়ার্ডটি পূর্বে ছিল ৪৫ নাম্বার ওয়ার্ড। বেশকিছু খ্যাতনামা মানুষের বাস বলে এই ওয়ার্ডকে অনেকে ভিআইপি ওয়ার্ডও বলে থাকে। এই ওয়ার্ডটি সেন্ট যোসেফ স্কুল ও রোমান ক্যাথলিক মিশন রয়েছে।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
লালমাটিয়া এ থেকে জি ব্লক পুরোটাই, আসাদগেট নিউ কলোনি, আসাদ এভিনিউ, ইকবাল রোড, স্যার সৈয়দ আহম্মেদ রোড, আওরঙ্গজেব রোড, কলেজগেট রোড, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল এলাকা, জেনেভা ক্যাম্প, হুমায়ুন রোড, বাবর রোড, খিলজী রোড, পিসি কালচার (ক) ব্লক, শ্যামলী।

সীমানা:
ওয়ার্ডের পূর্ব দিকে সংসদ ভবন, উত্তর-পূর্বে আগারগাঁও, উত্তর দিকে শ্যামলী, উত্তর পশ্চিমে বাইতুল আমান হাউজিং সোসাইটি, পশ্চিম দিকে মোহাম্মদপুর তাজমহল রোড, দক্ষিণ পশ্চিমে শংকর, দক্ষিণে ধানমন্ডি আর দক্ষিণ-পূর্বে মানিক মিয়া এভিনিউ।

যে সব বিষয় রয়েছে:
• সেন্ট যোসেফ স্কুল
• ক্যাথলিক মিশন
• বেশ কয়েকটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়

উত্তর: ওয়ার্ড নং ৩৩
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৩৩
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ নাম্বার ওয়ার্ডটি পূর্বে ছিল ৪৬ নাম্বার ওয়ার্ড। এটি ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ওয়ার্ডের অন্যতম। কারণ এখানে রয়েছে ঢাকার পুরার্কীতির অন্যতম সাত গম্বুজ মসজিদ। মোহাম্মদপুর থানার অর্ন্তভূক্ত এই ওয়ার্ডের আয়তন ৩ বর্গ কি.মি।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
বসিলা, ওয়াছপুর, পূর্ব কাটাসূর, পশ্চিম কাটাসূর, জাফরাবাদ (একাংশ), বাঁশ বাড়ি, মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটি, চাঁদ মিয়া হাউজিং, আলী ও নূর রিয়েল এস্টেট, লতিফ রিয়েল এস্টেট, কাদিরাবাদ হাউজিং।

যে সব বিষয় রয়েছে:
• সাত গম্বুজ মসজিদ
• হাউজিং সোসাইটি
• বাসস্ট্যান্ড
• পুরার্কীতি

উত্তর: ওয়ার্ড নং ৩৪
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৪৭
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩৪ নাম্বার ওয়ার্ডটি পূর্বে ছিল ঢাকার ৪৭ নাম্বার ওয়ার্ড। এক সময় এই ওয়ার্ড এলাকায় প্রচুর পাল পরিবারের বসতি ছিল। প্রায় ২০ হাজারের মত পাল পরিবার এখানে ছিল বলে জানা যায়। তবে এখন কোনো মতে কয়েক ঘর পাল টিকে আছে। এই ওয়ার্ডটির আয়তন ১.৫০ বর্গকিলোমিটার।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
মধুবাজার, পশ্চিম ধানমণ্ডি, পূর্ব জাফরাবাদ, পশ্চিম জাফরাবাদ, বিবিবাজার, রায়েরবাজার, সুলতানগঞ্জ, রাজমুশুরী।

সীমানা:
পূর্বে-ধানমণ্ডি, পশ্চিমে-বসিলা, উত্তরে-কাটাসুর, দক্ষিণে-হাজারীবাগ।

যে সব বিষয় রয়েছে:
• মৃৎ শিল্পের সবচেয়ে বড় বাজার
• রায়েরবাজার বধ্যভূমি
• বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধ

উত্তর: ওয়ার্ড নং ৩৪
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৪৭
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩৪ নাম্বার ওয়ার্ডটি পূর্বে ছিল ঢাকার ৪৭ নাম্বার ওয়ার্ড। এক সময় এই ওয়ার্ড এলাকায় প্রচুর পাল পরিবারের বসতি ছিল। প্রায় ২০ হাজারের মত পাল পরিবার এখানে ছিল বলে জানা যায়। তবে এখন কোনো মতে কয়েক ঘর পাল টিকে আছে। এই ওয়ার্ডটির আয়তন ১.৫০ বর্গকিলোমিটার।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
মধুবাজার, পশ্চিম ধানমণ্ডি, পূর্ব জাফরাবাদ, পশ্চিম জাফরাবাদ, বিবিবাজার, রায়েরবাজার, সুলতানগঞ্জ, রাজমুশুরী।

সীমানা:
পূর্বে-ধানমণ্ডি, পশ্চিমে-বসিলা, উত্তরে-কাটাসুর, দক্ষিণে-হাজারীবাগ।

যে সব বিষয় রয়েছে:
• মৃৎ শিল্পের সবচেয়ে বড় বাজার
• রায়ের বধ্যভূমি
• বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধ

উত্তর: ওয়ার্ড নং ৩৫
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৫৪
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩৫ নাম্বার ওয়ার্ডটি পূর্বে ছিল ঢাকার ৫৪ নাম্বার ওয়ার্ড।

আয়তন:
এই ওয়ার্ডটির আয়তন প্রায় ১.১৪৯ বর্গ কি. মি।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
বড় মগবাজার ও ইস্কাটন এলাকা এই ওয়ার্ড এর অন্তর্ভুক্ত ।

উত্তর: ওয়ার্ড নং ৩৬
পুরাতন ওয়ার্ড নং ৫৫
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩৬ নাম্বার ওয়ার্ডটি পূর্বে ছিল ৫৫ নাম্বার ওয়ার্ড।

আয়তন:
এই ওয়ার্ডটির আয়তন প্রায় ০.৭৬৯ বর্গ কি. মি।

অর্ন্তভূক্ত এলাকা:
নয়াটোলা এলাকা এই ওয়ার্ড এর অন্তর্ভুক্ত।

You must be logged in to post a comment Login

মন্তব্য করুন