রাজধানীর শিশুপার্ক সরে যাবে

প্রকাশ: June 21, 2015
shishu-park

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতাস্তম্ভ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে এ দুটি স্থান ও শিশুপার্ককে একই প্রকল্পের আওতায় এনে সরকারিভাবে তা সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ২১ জুন ২০১৫ তারিখের প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত এই প্রতিবেদনটি আমরা ঢাকার পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল-

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দেওয়ার জায়গা, ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থান এবং শাহবাগের শিশুপার্ক এলাকাকে একীভূত করা হবে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতাস্তম্ভ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে এ দুটি স্থান ও শিশুপার্ককে একই প্রকল্পের আওতায় এনে সরকারিভাবে তা সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। গোটা এলাকা দৃষ্টিনন্দন করে সাজাতে স্থাপত্য অধিদপ্তর পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ করছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক গতকাল শনিবার জাতীয় সংসদে এ কথা জানিয়েছেন। এ কে এম রহমতুল্লাহর এ-সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের স্থানকে চিহ্নিত করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আ ক ম মোজাম্মেল হক গতকাল রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ৭ মার্চের ভাষণ ও ১৬ ডিসেম্বরের আত্মসমর্পণের মতো ঐতিহাসিক ঘটনা ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য সেখানে শিশুপার্ক স্থাপন করা হয়েছিল। এখন শিশুপার্ক থাকবে, তবে সেটি পূর্বদিকে সরিয়ে নেওয়া হবে।

গতকাল প্রশ্নোত্তরের আগে সকাল সাড়ে ১০টার পর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
শামসুল হক ভূঁইয়ার প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জানান, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে নতুন নতুন বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। তাঁদের তথ্যের ভিত্তিতে বধ্যভূমিগুলো তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত তালিকাভুক্ত বধ্যভূমির সংখ্যা ২০৪টি।

এ কে এম শাহজাহান কামালের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী জানান, বর্তমানে লক্ষ্মীপুর জেলায় ৭ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে সয়াবিনের চাষ হয়। সয়াবিন উৎপাদন হয় ১৩ হাজার ৬৮০ মেট্রিক টন। এ জন্য চাষিদের ৪ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হয়।

এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ জানান, সারা দেশে প্রায় ৬ হাজার ৭৯৮ একর পরিত্যক্ত সম্পত্তি রয়েছে। তার মধ্যে সরকারের দখলে ৩ হাজার ৮৯৮ একর এবং বেদখলে ২ হাজার ১০ একর।

এম আবদুল লতিফের অপর এক প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু জানান, সুন্দরবনে সর্বশেষ ২০০৪ সালে বাঘ গণনা করা হয়। পায়ের ছাপ পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে পরিচালিত গণনা অনুযায়ী সুন্দরবনে ৪৪০টি বাঘের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। তবে বন বিভাগের তথ্যমতে, গত ১৫ বছরে গণপিটুনিতে ১৪টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। আটটি বাঘের মৃত্যু হয়েছে শিকারিদের হাতে। সাতটি মারা গেছে বার্ধক্যজনিত কারণে। তিনটি বাঘ মারা গেছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অসুস্থতাজনিত কারণে।

সূত্র: প্রথম আলো

You must be logged in to post a comment Login

মন্তব্য করুন