ঢাকা মহানগরে ভূমিকম্পের বিপদ

প্রকাশ: June 24, 2015
dhaka

মীর হুসাইনমো. জসিম উদ্দিন

নিকট অতীতে বাংলাদেশে কোনো প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প হয়নি। চলমান শতাব্দীতে হিন্দুকোষ পর্বতমালা থেকে শুরু হয়ে হিমালয় অঞ্চল ও ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের পশ্চিমাঞ্চল অবধি ভূমিকম্প ও সুনামি সৃষ্টির ফলে ব্যাপক জানমাল ও সম্পদের ক্ষতিসাধিত হয়। ভূমিকম্পপ্রবণ এই অঞ্চলগুলো বাংলাদেশের চতুর্দিকেই অবস্থিত। নিকটঅতীতে সংঘটিত ভূমিকম্পগুলো বাংলাদেশের সর্বত্র অল্প-বিস্তর প্রভাব বিস্তার করেছে এবং বাংলাদেশে অবস্থিত ভূমিকম্প সংঘটনের কারণগুলোকে অবশ্যম্ভাবী করে তুলেছে। ভূমিকম্পের কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত অঞ্চলে ডাউকিচ্যুতি, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিরাজমান ছোট-বড় আকারের চ্যুতিগুলো। ঢাকা শহর সংলগ্ন মধুপুর ভূগঠনিক অঞ্চলে অবস্থিত ছোট আকারের চ্যুতিগুলো। তা ছাড়া বাংলাদেশের আরও বিভিন্ন স্থানে ভূঅভ্যন্তরে বিভিন্ন আকারের চ্যুতি রয়েছে। পৃথিবী স্থির নহে, পৃথিবীর বহিরাঙ্গন ভূত্বক সঞ্চারনশীল এবং এই সঞ্চারনশীলতার ফলেই হিমালয়, আলপ্স পর্বতমালাসহ পৃথিবীর অধিকাংশ পর্বতমালাই সৃষ্টি হয়েছে এবং অদ্যাবধি এই সঞ্চারনশীলতা সর্বত্রই বিদ্যমান। ফলে ভূ-ত্বকের বিভিন্ন খণ্ড কোথাও অপর খণ্ডের সঙ্গে মুখোমুখি হলে একটি খণ্ড পৃথিবীর অভ্যন্তরে বিলীন হয় এবং অপর খণ্ডটি পাহাড়-পর্বতমালা সৃষ্টি করে। পৃথিবীর জন্মলগ্ন থেকেই এ প্রক্রিয়া বিরাজমান। বাংলাদেশও এ প্রক্রিয়ার অন্তর্গত। ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূ-স্তরে যেসব ফাটল ও চ্যুতি রয়েছে, তা ভূ-স্তরের সঞ্চারণশীলতার জন্য ওইসব স্থানে যে চাপের সৃষ্টি হয় এবং সেই চাপ সহ্যের সীমা অতিক্রম করলেই বিভিন্ন মাত্রার ভূ-কম্পনের সৃষ্টি হয়। ভূ-বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলকে সম্ভাব্য ভূ-কম্পনের মাত্রা অনুযায়ী ভাগ করেছেন। এতে উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল অত্যন্ত সংবেদনশীল অঞ্চল হিসেবে পরিগণিত। অপরিকল্পিত নগরায়ন ও অবৈজ্ঞানিকভাবে নির্মিত বিভিন্ন স্থাপনা ও ভূ-কাঠামো, সহনীয় নির্মাণ কার্যক্রমের অনুপস্থিতি ঢাকা শহরকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ নগর হিসেবে পরিগণিত করেছে।

বাংলাদেশ ও সন্নিহিত এলাকাটি দক্ষিণ মেরু অঞ্চল থেকে একটি খণ্ড ভারতীয় ভূখণ্ড নামে উত্তরমুখী অভিযাত্রায় হিমালয় সংলগ্ন অঞ্চলে ইউরোপ-এশিয়া ভূখণ্ডের সঙ্গে মুখোমুখি হওয়াকালীন ভারতীয় ভূখণ্ড ভূ-অভ্যন্তরে ধাবিত হয় এবং ইউরোপ-এশিয়া ভূখণ্ডটি হিমালয় পর্বত হিসেবে আবির্ভূত হয়। অপর একটি ভারতীয় ক্ষুদ্র ভূখণ্ড মিয়ানমার ভূখণ্ডের সঙ্গে একই প্রক্রিয়ায় মিলিত হয়। এই উভয় ভূখণ্ডের সামগ্রিক ফলাফলে আমাদের সোনার বাংলা সৃষ্টি হয়। হিমালয় পর্বত থেকে সৃষ্ট নদীগুলোর বাহিত পলল দ্বারা বাংলাদেশের ভূ-অঞ্চলের অধিকাংশ এলাকা ব-দ্বীপ হিসেবে সৃষ্টি হয় এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল মিয়ানমারের পর্বতমালা থেকে বাহিত পলি মাটি দ্বারা সৃষ্টি হয়। এই প্রক্রিয়া বর্তমানেও ক্রিয়াশীল এবং ভবিষ্যতেও তা ক্রিয়াশীল থাকবে। প্রায় ২.৫ কোটি বছর ধরে এ প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।
এই অব্যাহত প্রক্রিয়া বাংলাদেশকে ভূ-আন্দোলনের নিরিখে কয়েকটি অঞ্চলে বিভক্ত করেছে। যেমন উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল যা অপেক্ষাকৃত শান্ত ও স্থিতিশীল এলাকা হিসেবে পরিগণিত। বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এলাকায় পৃথিবীর আদি শিলা স্বল্পতম গভীরে অবস্থিত, যেমন মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি অঞ্চল। এই গোটা অঞ্চলটি দেশের পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল থেকে কলকাতা-ময়মনসিংহ হিঞ্জ রেখা দ্বারা বিভাজিত। উত্তর-পূর্বাঞ্চলটি সুরমা বেসিন হিসেবে পরিগণিত। এই বেসিন অঞ্চলটি হিমালয় ও মেঘালয় অঞ্চল থেকে পরিবাহিত পলি মাটি থেকে সৃষ্ট পাললিক শিলা ও পলল দ্বারা গঠিত। এই সুরমা বেসিনের উত্তর প্রান্তে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত জুড়ে পূর্ব-পশ্চিমে প্রলম্বিত ডাউকি চ্যুতি অবস্থিত। এই চ্যুতিটি বর্তমানে অতিমাত্রায় ভূমিকম্প সংবেদনশীল এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। এই ডাউকি চ্যুতির উত্তরে ভারতের মেঘালয় রাজ্য, যার সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ কি.মি. উচ্চতায় অবস্থিত এবং দক্ষিণ প্রান্তে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জের হাওড় অঞ্চল অবস্থিত। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল অবস্থিত। বাকি অঞ্চলগুলো মূলত ব-দ্বীপ হিসেবে সৃষ্টি হয়। ঢাকা শহরের কিছু অংশসহ সনি্নহিত পূর্বাঞ্চল এবং গাজীপুর ও টাঙ্গাইলের একটি বৃহৎ অঞ্চল লাল মাটি দ্বারা গঠিত। যা ভূতাত্তি্বক পরিভাষায় মধুপুর অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত। এই মধুপুর অঞ্চলটির উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে কয়েকটি চ্যুতি ও ফাটল রয়েছে। এই ফাটল ও চ্যুতিগুলোতে ভূ-স্তরের সঞ্চারণশীলতার জন্য চাপ সৃষ্টি হওয়ার ফলে ভূমিকম্পের সমূহ সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে।

ঢাকা মহানগর বাংলাদেশ ও সনি্নহিত ভারত, নেপাল ও মিয়ানমারের মহা ভূ-গাঠনিক পরিমণ্ডলে অবস্থিত। সনি্নহিত অঞ্চলের যে কোনো ধরনের প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত বিপর্যয় ও ক্ষয়ক্ষতিতে ঢাকা মহানগর আক্রান্ত হবে। সুতরাং ঢাকা মহানগর ও সনি্নহিত এলাকার ভূতাত্তি্বক স্তর, কাঠামো ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর সম্পর্কে সার্বিক তথ্য সংগ্রহ করা অতীব প্রয়োজনীয়। ঢাকা শহরের ভূ-কাঠামোগত মানচিত্রটি ইপিসি/এমএমপি ১৯৯১ ও খন্দকার ১৯৮৭, প্রণীত ভূপৃষ্ঠের বন্দুরতা বিষয়ক মানচিত্রের সাহায্য নিয়ে প্রস্তুত করা হয়। কেননা, ভূ-গাঠনিক কাঠামো ভূ-পৃষ্ঠের বন্দুরতা নিয়ন্ত্রণ করে।

জনাব মতিন ও হোসেন ১৯৮৬ প্রণীত বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ ও মানচিত্র অনুসারে ঢাকা মহানগরটি বেঙ্গল ফোরডিপের ঢাকা সাব-জোনে অবস্থিত। এর উত্তরে রয়েছে টাঙ্গাইল ও ত্রিপুরা উচ্চ ভূমি, পূর্বে রয়েছে চট্টগ্রাম ঊর্ধ্বভাজ সাব-জোন, পশ্চিমে রয়েছে কলকাতা, ময়মনসিংহ হিঞ্জ জোন ও দক্ষিণে রয়েছে পটুয়াখালী ট্রাফ। ঢাকা মহানগরে দুটি সুস্পষ্ট ভূ-তাত্তি্বক গঠন রয়েছে। একটি হলো মধুপুর উচ্চ ভূমি এবং অপরটি হলো পাবন ভূমি। পাবন ভূমির ভূতাত্তি্বক স্তর পাললিক বালু কণা, অতি সূক্ষষ্ট বালু কণা ও কাদা মাটির দ্বারা গঠিত। যার পুরুত্ব ছয় মিটার থেকে পনেরো মিটার পর্যন্ত। এই প্লাবন ভূমির স্তর কোথাও ধামরাই বালু কণা স্তর দ্বারা আবৃত। ধামরাই স্তরের পুরুত্ব একশ’ হতে দুইশ’ মিটার পর্যন্ত।

মধুপুরের ভূ-স্তর মায়োসিন থেকে বর্তমান কাল পর্ব পর্যন্ত বিস্তৃত। এর মধ্যে গিরুযান কাদা স্তর (৫০-১০০ মিটার) ডুপিটিলা শিলা স্তর যার অধিকাংশ বালিকণা দ্বারা গঠিত (১০০-১৮০ মিটার), মধুপুর কাদা স্তর (৬-২৫ মিটার), বাসাবো স্তর (৩-২৫ মিটার) এবং নিচু ভূমির পাললিক স্তর (০-৫ মিটার)। মৃত্তিকা প্রকৌশলগত বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, মধুপুর শ্রেণীর স্তর আকাশচুম্বী ভবন ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণে উপযোগী। পক্ষান্তরে প্লাবন ভূমি আকাশচুম্বী ভবন ও অন্যান্য বড় স্থাপনা নির্মাণের উপযোগী নয়।

বাংলাদেশ ভূ-তাত্তি্বক জরিপ অধিদপ্তরের কার্যক্রমের ফলাফল অনুসারে বলা যায় যে, ঢাকা মহানগরের কোতোয়ালি, মতিঝিল, সায়েদাবাদ, কমলাপুর, সেগুণবাগিচা, কাকরাইল, ধানমণ্ডি, গুলশান, বনানী, উত্তরখান, উত্তরার অংশবিশেষ মিরপুর-১, ২, ৩, ৬ ও ১২ এলাকা দালানকোঠা নির্মাণের জন্য উপযোগী ও স্থিতিশীল। পক্ষান্তরে মেরাদিয়া, সাঁতারকুল, বাড্ডার অংশবিশেষ, মিরপুর-১৪, বোটানিক্যাল গার্ডেনের নিম্নাঞ্চল, কল্যাণপুর ও মোহাম্মদপুরের অংশবিশেষ, পল্লবীর নিম্নাঞ্চল এবং কালাপানির অনেকাংশের মৃত্তিকা কাদা মাটি দ্বারা গঠিত হওয়ার কারণে নির্মাণ কাজের উপযোগী নয়।

ভূ-প্রকৌশলগত বিচারে ঢাকা মহানগরের উলি্লখিত অঞ্চলগুলো আকাশচুম্বী ভবন ও অন্যান্য বড় স্থাপনা নির্মাণের উপযোগী নয়। কেননা, ঢাকা মহানগরের চারপাশে সক্রিয় ও সুপ্ত চ্যুতি ও ফাটল রয়েছে।

উল্লেখযোগ্য চ্যুতিগুলো হচ্ছে_ টঙ্গী, পাগলা, বালু, বনিত, ধামরাই, কালিয়াকৈর, তুরাগ। তা ছাড়া ঢাকার আশপাশে রয়েছে শীতলক্ষ্যা ও আড়িয়ালখাঁ প্রলম্বিত রেখা, যা চ্যুতির ইঙ্গিতবহ। তা ছাড়া আরও রয়েছে পুরনো বহ্মপুত্র, বুড়িগঙ্গা, বংশী, মধুপুর, ধলেশ্বরী ও পদ্মা চ্যুতিগুলো। এখানে প্রণিধানযোগ্য যে, ২০১১ সালে জাপানের পূর্ব উপকূলে ফুকুশিমা শহরের কাছে একটি সুপ্ত চ্যুতি ভূ-পৃষ্ঠের সঞ্চারণশীলতার জন্য পুনরায় সক্রিয় হয় এবং প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প ও সুনামির সৃষ্টি করে। আরও উল্লেখ্য যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা শহরের কাছে ৩০ কোটি বছরের পুরনো সুপ্ত একটি চ্যুতি তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রমের কারণে সক্রিয় হয় এবং প্রভূত ক্ষতিসাধন করে। প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট কারণে ঢাকা ও সনি্নহিত অঞ্চলের সুপ্ত চ্যুতিগুলো পুনরায় সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

হিউম্যান ওয়াটার্স কর্তৃক বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশের পরিবেশগত সমস্যা বিষয়ে গবেষণা কর্মের ফলাফলে জানা যায় যে, বিগত কয়েক দশকে ঢাকা শহরে ভূ-গর্ভস্থ পানি অতিরিক্ত উত্তোলনের ফলে ঢাকা শহরকে বিশেষ বিপদের মধ্যে ফেলেছে। ডুপিটিলা শিলাস্তরে পানির স্তরের ৮০-৮৫ শতাংশ ইতিমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। তা ছাড়া বিগত ১০ বছর ধরে অনুমোদনবিহীন অজ্ঞাত সংখ্যক পাম্প দ্বারা ওই স্তর থেকে পানি উত্তেলিত হচ্ছে। ডুপিটিলা-১ স্তর হতে পানি উত্তোলনের ফলে ওই স্তরে পানিবিহীন একটি বিরাট কৌণিক এলাকার সৃষ্টি হয়েছে। এই পানিবিহীন স্তর ডুপিটিলা স্তরের ৩০-৬৫+ মিটার গভীর পর্যন্ত রয়েছে। টঙ্গীর কামারপাড়া থেকে বন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত প্রস্থচ্ছেদ দেখা যায় যে, ঢাকা শহরের পানির স্তরের বর্তমান সংকটজনক অবস্থা। একই অবস্থা দেখা যায় মোহাম্মদপুর থেকে উত্তরখান, মিরপুর থেকে বাড্ডা, মোহাম্মদপুর থেকে রামপুরা ও ধানমণ্ডি, গুলশান, বনানী এলাকা।

গবেষকদলের ডুপিটিলা-২ স্তর-এর কোনো উপাত্ত নাই। পানিবিহীন স্তর শূন্য হওয়ায় তা ওপরের শিলা ও মৃত্তিকা স্তরের ওজনের কারণে সংকুচিত হচ্ছে। ফলে ঢাকা শহরের কোনো কোনো অঞ্চলে ভূমি ডেবে যাওয়ার সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে, এ বিষয়ে বিশদ গবেষণা অতি আবশ্যক। ওপরের স্তরের চাপের ফলে মৃত্তিকা ও শিলাস্তরের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি হয়। যে কোনো ভূমিকম্পের ফলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফাটলগুলো আকারে বড় হয় এবং ধ্বংসের কারণ হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যে ভূ-স্তরে পানি পুনঃভরনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ঢাকা শহরের সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবেলার জন্য কর্মকৌশল গ্রহণ অতীব প্রয়োজনীয়।

লেখকদ্বয় যথাক্রমে পরিবেশগত ভূতত্ত্ববিদ, হিউম্যান ওয়াটারের প্রতিষ্ঠাতা, ক্যানসাস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অনুসন্ধান ভূতত্ত্ববিদ, বাংলাদেশ।

সূত্র: সমকাল

You must be logged in to post a comment Login

মন্তব্য করুন