‘অবৈধ বিলবোর্ডের বিরুদ্ধে অভিযান’

প্রকাশ: May 26, 2015
anis4

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনো অবৈধ বিলবোর্ড থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র মো. আনিসুল হক। মঙ্গলবার (২৬ মে) গুলশান লেডিস ক্লাব সংলগ্ন রাস্তায় বর্জ্য ও জলাবদ্ধতা পরিদর্শনে এসে তিনি এ ঘোষণা দেন। এদিন ডিএনসিসির ১৫, ১৮, ১৯ ও ২০নং ওয়ার্ড পরিদর্শনের করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘উত্তরের দুই-তৃতীয়াংশ বিলবোর্ডই অবৈধ।’ একই সঙ্গে তিনি তার এলাকায় জলাবদ্ধতার জন্য ঢাকা ওয়াসাকে দায়ী করেছেন। এজন্য তিনি ওয়াসাকে কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্যও আহ্বান জানান।
আনিসুল হক বলেন, ‘কাল রাতে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই অধিকাংশ বিলবোর্ড ভেঙে রাস্তায় পড়েছে। এর দুই-তৃতীয়াংশই অবৈধ। আমি সব সিকিউটির সংস্থাকে বলেছি আমরা সব অবৈধ বিলবোর্ড ভেঙে ফেলবো। এ অবৈধ বিলবোর্ডের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে। ’

জলাবদ্ধতার জন্য ওয়াসাকে দায়ী করে আনিসুল হক বলেন, ‘তাদের আনেক কার্যকর ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। গুলশানের এ এলাকায় ওয়াসার কোনো স্যুয়ারেজ লাইন নেই। তাহলে কিভাবে এলাকার পানি যাবে? কাল রাতে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। তাতেই এলাকায় জলাবদ্ধতা। এভাবে চলতে দেয়া যায় না। ওয়াসাকে বিনীত অনুরোধ- আসুন আমরা একসঙ্গে কাজ করি। এলাকার স্যুয়ারেজ ব্যবস্থা সচল করি। আধাঘণ্টা বৃষ্টিতে সারা শহর প্লাবিত হয়েছে, এতে আমি অস্বস্তিতে আছি।’
Anis
নগরবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দিতে ওয়াসার সঙ্গে সিটি করপোরেশন যৌথভাবে কাজ করবে বলে ইচ্ছা পোষণ করেন আসিনুল হক।
ওয়াসার সঙ্গে ডিসিসি’র কাজের ক্ষেত্রে সমন্বয়ের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মেয়র বলেন, সমন্বয় করে কাজ না করলে উন্নয়ন হবে না। সিটিতে ওয়াসাসহ সব সংস্থাকে সমন্বয় করে কাজ করতে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সহযোগিতা চেয়ে বলেন, ‘আমরা কোথায় বর্জ্য ফেলবো তা খোঁজে পাচ্ছি না। বর্জ্য ফেলার কোনো জায়গা নেই। এজন্য বিভিন্ন সরকারি সংস্থাকে লিখেছি। তাদের বহু জায়গা বছরের পর বছর ধরে পড়ে আছে। তারা আমাদেরকে অন্তত দুই বছরের জন্য দুই-তিন কাঠা জমি বরাদ্দ দিক। তাহলেই আমরা আমাদের কমিটমেন্ট বাস্তবায়ন ‍করতে পারবো।’
মেয়র বলেন, ‘আমি আগামী সপ্তাহে সব মন্ত্রণালয়ে যাবো। তাদের কাছে গিয়ে আবার এই ছোট ছোট জায়গাগুলো চাইবো। আশা করি তারা আমাকে সহযোগিতা করবে।’
Anisul_858327695
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‘কাজ তো সবেমাত্র ১০ দিন হয়েছে। যানজটের ‍পুরো দায়িত্ব ডিসিসির না। কারণ ডিসিসি সড়কে আলো জ্বালানো, রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখা এগুলো নিয়েই বেশি কাজ করে। সবার সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ না করলে কোনটাই সম্ভব না। তবে সরকারের সব সংস্থাকে সমন্বয় করে কাজ করতে সরকারের সহায়তা দরকার বলে জানান আনিসুল হক।’

এসময় ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম এনামুল হক, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন বিপন কুমার সাহা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মাসুদ আহসান উপস্থিত ছিলেন।

ছবি কৃতজ্ঞতা: বাংলা মেইল, বাংলানিউজ২৪

You must be logged in to post a comment Login

মন্তব্য করুন